1. admin@dailytathyanusandhan.com : admin :
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মেঘনায় ১১ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিরাপদ বিশুদ্ধকরন পানির ফিল্টার বিতরণ দেবিদ্বারে স্ত্রীর মর্যাদা ও সন্তানের স্বীকৃতির দাবিতে প্রবাসীর বাড়িতে এক নারীর অবস্থান মাদক কারবারিরা সমাজের সবচেয়ে বড় শত্রু, এদের আইনের হাতে তুলে দিন : ইউএনও অশোক বিক্রম চাকমা সাংবাদিক জনি ফারুককে হেয়প্রতিপন্ন করতে ভিত্তিহীন ভুয়া সংবাদপত্রের কাটিং বানিয়ে অপপ্রচার, তীব্র প্রতিবাদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মাদক সেবীদের ডোপ টেস্টের ব্যবস্থা করা হবে কোটচাঁদপুর আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় এমপি,মতিয়ার রহমান সরকার নাগরিকদের অধিকার রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : আইনমন্ত্রী হলফনামায় ভুয়া সনদ দাখিলের অভিযোগ এমপি নয়নের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জে আওয়ামীলীগের রাজনীতি চাঙ্গা করতে মামা ভাগ্নের নীল নকশা সালনা ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার অভিভাবকদের মত বিনিময় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত. আইনশৃঙ্খলা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ঝিনাইদহ জেলার শ্রেষ্ঠ থানা মহেশপুর

যশোরে সুঁই-সুতোই স্বপ্ন বুনে জিপিএ-৫ অর্জন সুমাইয়ার, ভবিষ্যত নিয়ে দুশ্চিন্তা

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬
  • ৯৩ বার পঠিত

নজরুল ইসলাম যশোর প্রতিনিধি: যশোরে মনিরামপুর উপজেলায় সেলাই সেন্টারে কাজ করে অদম্য মেধাবী সুমাইয়া খাতুন এবার এসএসসি পরিক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে। প্রতিটি সেলাইয়ের ফোঁড়ে নিজের অদম্য ইচ্ছা শক্তি জাগিয়ে তুলে শিক্ষা জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সাফল্যের অধ্যয় পার করলেও ভবিষ্যতে পড়ালেখার খরচ জোগান নিয়ে সুমাইয়াকে দুশ্চিন্তা পেয়ে বসেছে। দিনমজুর বাবার একার রোজগারে পরিবারের ৪ সদস্যের মুখে অন্ন জোটে। তাই বাধ্য হয়ে নিজের পড়ালেখার খরচ জোগাতে সুমাইয়াকে বাড়ির পাশে সেলাই সেন্টারে কাজ করতে হয়েছে। সুমাইয়া যশোরের মণিরামপুর উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের আবু দাউদ মোল্লা ও নাছিমা খাতুনের ছোট মেয়ে। সে মণিরামপুর কারিগরি ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট থেকে এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। সুমাইয়ার বাবা আবু দাউদ দিনমজুরের কাজ করেন। মা নাছিমা খাতুন সেলাই সেন্টারে কাজ করেন। জীর্ন কুটিরে বসবাস তাদের। দুই মেয়ের নিযে সংসারে আর্থিক টানাপোড়েন নিত্যদিনের সঙ্গী। অভাবের কারণে মেয়ের পড়াশোনার খরচ জোগাতে হিমশিম খেতে হয় পরিবারটিকে। বাধ্য হয়ে নিজের পড়াশোনার খরচ জোগাতে মায়ের সাথে সেলাই সেন্টারে কাজ করতো। সুমাইয়ার বাবা আবু দাউদ মোল্লা ও মা নাছিমা খাতুন জানান, ‘ছোটবেলা থেকেই মেধাবী সুমাইয়ার পড়ালেখার প্রতি খুব ঝোঁক। আবেগ আপ্লুত কন্ঠে মা নাছিমা খাতুন জানান, মেয়েকে ভালো কাপড় কিনে দিতে পারিনি, পড়াশোনার খরচও জোগাতে পারিনি। মেয়ের এই সাফল্যে খুশি হলেও ভবিষ্যতের খরচ জোগান নিয়ে দুশ্চিন্তা করছেন। প্রতিবেশী আইয়ূব আলী বলেন, ‘অদম্য ইচ্ছাশক্তি থাকলে, দারিদ্র্য বাঁধা হয়ে দাড়াতে পারে না, তার উদাহরন সুমাইয়া।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © তথ্যানুসন্ধান ২০২৫
Theme Customized By Shakil IT Park