
খান মোঃ রফিকুল ইসলাম, সিনিয়র রিপোর্টার: নারায়ণগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস দুর্নীতি , ঘুষখোর ও দালালদের আখড়ায় পরিণত হয়েছে বলে অভিযোগ আছে।পাসপোর্ট সেবা নিতে আসা গ্রাহকদের বিভিন্ন অজুহাতে জিম্মি করে দ্বীগুন তিন গুন টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ ও আছে । এই অফিসে সেবা গ্রহীতাদের কাছ থেকে ঘুষ ছাড়া কোনো কাজ হয় না। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে গড়িয়েছে যে, সংবাদকর্মীরা তথ্য সংগ্রহে গেলে তাদেরকেও অফিস প্রাঙ্গণে ঢুকতে আনছার এর কাছে রেজিস্টার খাতায় নাম ঠীকানা না লিখে ভিতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। শুধু তাই নয়, সাংবাদিকদের লাঞ্ছিত করার ঘটনাও ঘটেছে একাধিকবার।
গত ২৪ নভেম্বর ২০২৫ তারিখ চার জন সাংবাদিক ভিতরে গেলে তাদের ১ ঘন্টা বসিয়ে রেখে ফারুক আহম্মেদ বলে কেন আসছেন ভিতরে? সাংবাদিকগন বলেন আপনাদের সাথে দেখা করার জন্য, কেমন চলছে আপনাদের কাজকর্ম। তার উত্তরে ফারুক আহম্মেদ বলেন দেখা তো হলো এবার যান। কথাগুলো খুবই খারাপ ভাষায় বলছে।তার কথায় যে কোন সাংবাদিকের মাইন্ডে লাগার মত। তার মধ্যে একজন সাংবাদিক বললো আপনি এমন ব্যবহার কেন করছেন? এই কথায় তার হিংস্রতা বেড়ে আসল চেহারা বেরিয়ে আসে। তিনি ফোন করে গেট থেকে কয়েক জন আনছার ডেকে এনে সাংবাদিকদের এক রুমে আটকিয়ে রাখে এবং আনছারদের বলে এরা যেন বের হতে না পারে। পরে এক এক জনকে আলাদা করে তিন জনকে তাদের স্বীকারোক্তি নেয় তারা আর পাসপোর্ট অফিসে আসবেনা বলে। সাংবাদিকদের সাথে রুক্ষ আচরন করা, সকল সাংবাদিককে চাদাবাজ বলা , সাংবাদিকদের মোবাইল কেরে নেয়ার অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। তাছাড়া ইতি পূর্বে একজন সম্পাদককে ঢাকায় নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা দিয়ে আটকিয়ে রাখার অভিযোগ রয়েছে উপপরিচালক সামিম আহম্মেদের বিরুদ্ধে । তিনি কোন এক রাজনৈতিক দলের প্রভাবে নিজেকে এত ক্ষমতাবান মনে করেন।
নারায়নগঞ্জের পাসপোর্ট অফিসের সকল দুর্নীতি বন্ধ এবং নির্বিঘ্নে সঠীক ভাবে সকল সেবা পাওয়ার দাবী ভুক্তভোগী সকল গ্রাহকদের।