1. admin@dailytathyanusandhan.com : admin :
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:২৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মেঘনায় ১১ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিরাপদ বিশুদ্ধকরন পানির ফিল্টার বিতরণ দেবিদ্বারে স্ত্রীর মর্যাদা ও সন্তানের স্বীকৃতির দাবিতে প্রবাসীর বাড়িতে এক নারীর অবস্থান মাদক কারবারিরা সমাজের সবচেয়ে বড় শত্রু, এদের আইনের হাতে তুলে দিন : ইউএনও অশোক বিক্রম চাকমা সাংবাদিক জনি ফারুককে হেয়প্রতিপন্ন করতে ভিত্তিহীন ভুয়া সংবাদপত্রের কাটিং বানিয়ে অপপ্রচার, তীব্র প্রতিবাদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মাদক সেবীদের ডোপ টেস্টের ব্যবস্থা করা হবে কোটচাঁদপুর আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় এমপি,মতিয়ার রহমান সরকার নাগরিকদের অধিকার রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : আইনমন্ত্রী হলফনামায় ভুয়া সনদ দাখিলের অভিযোগ এমপি নয়নের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জে আওয়ামীলীগের রাজনীতি চাঙ্গা করতে মামা ভাগ্নের নীল নকশা সালনা ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার অভিভাবকদের মত বিনিময় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত. আইনশৃঙ্খলা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ঝিনাইদহ জেলার শ্রেষ্ঠ থানা মহেশপুর

যশোরের শার্শার পাঁচভুলোট দাখিল মাদ্রাসায় জরাজীর্ণ টিনশেডে পাঠদান

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬
  • ১১১ বার পঠিত

নজরুল ইসলাম যশোর প্রতিনিধিঃ যশোর জেলার শার্শা উপজেলার পাঁচভুলোট দাখিল মাদ্রাসা।খুলনা বিভাগের দাখিল পরীক্ষার ফলাফলে সুনাম কুড়িয়েছে এই মাদ্রাসা।
প্রতিবছর শতভাগ পাসের ধারাবাহিকতা ধরে রেখে প্রতিষ্ঠানটি এলাকায় শিক্ষার আলো ছড়িয়ে চলেছে। অথচ প্রতিষ্ঠার ৪০ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো সরকারি কোনো ভবন জোটেনি মাদ্রাসাটির। জরাজীর্ণ টিনশেড ঘরেই চলছে পাঠদান। আকাশে মেঘ জমলেই বৃষ্টি আর ঝড়ের আতঙ্কে ছুটির ঘণ্টা বাজাতে হয় দপ্তরিকে। যশোরের সীমান্তবর্তী উপজেলা শার্শার ৬ নম্বর গোগা ইউনিয়নের পাঁচভূলোট গ্রামে অবস্থিত মাদ্রাসাটি ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রায় তিন যুগ আগে এমপিওভুক্ত হলেও অবকাঠামোগত উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি প্রতিষ্ঠানটিতে। বর্তমানে এবতেদায়ী (প্রথম শ্রেণি) থেকে দাখিল (দশম শ্রেণি) পর্যন্ত পাঠদান চলছে এখানে। শিক্ষার্থী রয়েছে ৫৯২ জন। এর মধ্যে এবতেদায়ী শাখায় ১৬২ জন এবং দাখিল শাখায় ৩৫০ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। শিক্ষক ও কর্মচারী থাকার কথা ২৬ জন হলেও বর্তমানে কর্মরত আছেন মাত্র ১৯ জন। শিক্ষক সংকট কাটাতে এনটিআরসির মাধ্যমে নতুন শিক্ষক চেয়ে আবেদন করেছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পুরোনো টিনশেডের বিভিন্ন স্থানে মরিচা পড়ে ছিদ্র হয়ে গেছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই শ্রেণিকক্ষে পানি পড়ে। অনেক সময় বই-খাতা বাঁচাতে শিক্ষার্থীদের বেঞ্চ সরিয়ে বসতে হয়। ঝড়-বৃষ্টির আশঙ্কা দেখা দিলে আগেভাগেই ছুটি ঘোষণা করা হয়। আবার গ্রীষ্মকালে টিনশেড কক্ষগুলো
অতিরিক্ত গরম হয়ে ওঠায় স্বাভাবিক পাঠদান ব্যাহত হয়। এজন্য সকালে ক্লাস নিতে বাধ্য হন শিক্ষকরা। তবে নানা সংকটের মধ্যেও শিক্ষা কার্যক্রম থেমে নেই। প্রতিবছর দাখিল পরীক্ষায় শতভাগ পাসের কৃতিত্ব ধরে রেখেছে প্রতিষ্ঠানটি। এখান থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী দেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি কলেজে উচ্চমাধ্যমিক শেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছেন। অনেকে আবার চাকরিজীবনেও প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। পাঁচভুলোট গ্রামের প্রবীণ শিক্ষানুরাগী আব্দুল মজিদ সর্দার বলেন, এই মানুষের গর্ব। কিন্তু ভবনের অভাবে বছরের পর বছর শিক্ষার্থীরা দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। দ্রুত একটি বহুতল ভবন নির্মাণ করা জরুরি।
সীমান্তবর্তী উপজেলা শার্শা উপজেলার ৬ নম্বর গোগা মাদ্রাসাটি এলাকার ইউনিয়নের পাঁচভুলোট দাখিল মাদ্রাসার জরাজীর্ণ নিটশেড মাদ্রাসার সুপারিনটেনডেন্ট মোঃ আয়ুব আলী বলেন,প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব কোনো ভবন নেই। শিক্ষকদের বসারও পর্যাপ্ত জায়গা নেই। ছোট একটি কক্ষে গাদাগাদি করে শিক্ষক-কর্মচারীদের বসতে হয়। কেউ কেউ বারান্দায় বসে কাজ করেন। আকাশে মেঘ দেখলেই আতঙ্ক তৈরি হয়। তিনি আরও বলেন,একটি চারতলা ভবন নির্মাণ হলে শিক্ষার্থীরা নিরাপদ পরিবেশে পড়াশোনার সুযোগ পাবে। এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি, সরকার যেন দ্রুত প্রতিষ্ঠানটির অবকাঠামোগত উন্নয়নে উদ্যোগ নেয়।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © তথ্যানুসন্ধান ২০২৫
Theme Customized By Shakil IT Park