1. admin@dailytathyanusandhan.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৩৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে রাতের আঁধারে সড়ক কার্পেটিং, দেবিদ্বারে কাজ বন্ধ শিক্ষা ও জ্ঞানার্জনে সমাজের অন্ধকার দূর করার শপথ নিতে হবে:….. দেবিদ্বারে ইউএনও অশোক বিক্রম চাকমা শ্রীপুরে যুবদল নেতাকে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে মোটা অঙ্কের টাকা দাবির অডিও রেকর্ড রয়েছে যশোর বেনাপোলে ট্রাভেল পারমিটে ভারত থেকে দেশে ফিরলেন ১০ নারী সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে দেবিদ্বারে আইইএস জাতীয় মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত নগরঘাটায় ৮ দলীয় নকআউট ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচ অনুষ্ঠিত গাজীপুরের কাপাসিয়ায় আলী হোসেনের ওপর হামলার ঘটনায় রফিকুল ও টিপুসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা শ্রীপুরে বিএনপির নেতা মোশাররফ সরকারের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচারের প্রতিবাদ সংবাদ সম্মেলন যশোরে লংমার্চ সফলে শহরে জামায়াতের গণমিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ সাতক্ষীরায় এডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণের দাবিতে আইনজীবীদের মানববন্ধন

সাতক্ষীরায় যুব উন্নয়নের প্রশিক্ষক আসাদুজ্জামানের যড়যন্ত্রে নাজেহাল কর্মকর্তা কর্মচারী.

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬
  • ১০৫ বার পঠিত

এম ইদ্রিস আলী,সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রশিক্ষক (পশুপালন) মোঃ আসাদুজ্জামান এর বিরুদ্ধে অফিসে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে।
প্রশিক্ষক আসাদুজ্জামানের বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো এসব কর্মকর্তাদের শারীরিকভাবে হেনস্তার অভিযোগও উঠেছে।
যার ফলে আসাদুজ্জামান তার নিজের অপকর্ম ঢাকতে সাতক্ষীরা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ডেপুটি কো-অর্ডিনেটর মোঃ মিজানুর রহমান,সিনিয়র প্রশিক্ষক দেবাশীষ সরকারসহ একাধিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নানামুখী ষড়যন্ত্র শুরু করেছে বলে জানা যায়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই কর্মকর্তারা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছে।
অভিযোগসূত্রে জানা যায়,গত ১৭ই আগস্ট যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের কো -অর্ডিনেটর মোঃ মিজানুর রহমানের কক্ষে সভা চলাকালীন প্রশিক্ষক আসাদুজ্জামান সিনিয়র প্রশিক্ষক দেবাশীষ সরকারকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। এ সময় অন্য কর্মকর্তারা প্রতিবাদ করলে আসাদুজ্জামান তাদের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করতে উদ্যত হন।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত আসাদুজ্জামান এর বিরুদ্ধে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর লিখিত অভিযোগ করলে সে আরো ও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। এরপর থেকে আসাদুজ্জামান নিজের অপকর্ম ঢাকতে শুরু করে নানাবিধ ষড়যন্ত্র।
একাধিক সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য ২০২৫ সালে শাস্তিমূলক বদলি হয় আসাদুজ্জামান।
পরবর্তীতে নতুন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাছ থেকে প্রত্যয়ন নিয়ে এবং বিভিন্ন জায়গায় তদবির করে পুনরায় বদলি নিয়ে যোগদান করেন সাতক্ষীরায়। কিন্তু পূর্বের মত একছত্র ভাবে
অফিস কার্যক্রমে বিস্তৃত না হতে পারায় উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করেন। সাতক্ষীরায় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর থেকে নিজের জেলাতে চাকুরী করার সুবাদে মন খুলে অনিয়ম,দুর্নীতি করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। সেসময় নিজ জেলায় থাকার সুবিধাতে স্থানীয় প্রভাব খাটিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হাত করে অন্যান্য কর্মচারীদের ভয় দেখিয়ে নিজের হাতে সব ক্ষমতা কুক্ষিগত করেছেন বলে জানা যায় যার ফলে তখন মিলেমিশে দুর্নীতি করেছেন।
বর্তমানে অফিসে নতুন কর্মকর্তা কর্মচারী যোগদান করলে তাদের ভয়ভিতী দেখিয়ে, চুপ করিয়ে রাখা, মহিলা সহকারীদের নিয়ে কটুক্তি, অশ্লীল আচরণ, উর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা, ঠিকমতো অফিস না করা, স্বাক্ষর করে বের হয়ে যাওয়া, অফিসের কর্মকর্তাদের মারার জন্য বাইরের লোক ঠিক করা, অন্যের নামে বাসা বরাদ্দ নিয়ে থাকা, বিভিন্ন সময়ে বাসা ভাড়া না দেওয়া, বিভিন্ন ব্যাচ পরিচালনার সময় মিথ্যা ভাউচার দেখিয়ে টাকা উত্তোলন, যারা কখনো ক্লাস করে নাই তাদের নামে টাকা উত্তোলন, প্রশিক্ষণার্থীদের জামানত আত্মসাৎ করা, তাদের নামে সার্টিফিকেট ইস্যু করা এবং ভাতা উত্তোলন করা, প্রশিক্ষণপ্রার্থীদের নামে বিভিন্ন জিনিস কিনে তা অধিক দামে ভাউচার করে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ আছে। এছাড়াও মেস, হোস্টেলের সব দায়িত্ব একা নিয়ে প্রশিক্ষণার্থীদের হলে না থাকার জন্য উৎসাহিত করার অভিযোগ রয়েছে। বিশ্বস্ত সুত্রে জানা যায়, আসাদুজ্জামানের চাকরি রাজস্ব খাতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে ২০২২ সালে, কিন্তু তিনি প্রভাব খাটিয়ে ২০০৬ সাল থেকে বেতন ভাতা উত্তোলন করছেন।
তবে সাতক্ষীরা থেকে বদলি হয়ে নড়াইলে গেলেও সে এলপিসি নেন নাই, ঘুষ দিয়ে পুনরায় সাতক্ষীায় যোগদান করেও একই ভাবে বেতন ভাতা উত্তোলন করছেন।
এ ঘটনায় সাতক্ষীরা যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ডেপুটি কো-অর্ডিনেটর মোঃ মিজানুর রহমানের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন,প্রশিক্ষক আসাদুজ্জামানের বিরুদ্ধে মহাপরিচালক বরাবর অভিযোগ করা হয়েছে।তদন্ত-পূর্বক তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এ বিষয়ে অভিযুক্ত আসাদুজ্জামানের নিকট জানতে যোগাযোগ করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এমত অবস্থায় সাতক্ষীরা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি দুর্নীতির হাত থেকে বাঁচাতে দুর্নীতিগ্রস্ত এসব কর্মকর্তাদের বদলির দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থী সহ সুশীল সমাজের ব্যক্তিরা।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © তথ্যানুসন্ধান ২০২৫
Theme Customized By Shakil IT Park