
খান মোঃরফিকুল ইসলাম, সিনিয়র রিপোর্টার: ঢাকা নারায়ণগঞ্জের লিংক রোড এর সাইনবোর্ড থেকে চাষাড়া পর্যন্ত রোডের মাঝে যে ল্যাম্পপোস্টগুলো দেয়া হয়েছে তার বিশেষ বিশেষ গুরুক্তপূর্ন স্থানের লইটগুলো প্রায় ৫/৬ মাস যাবৎ বন্ধ । ভুইগড়, সিকদার পাম্প,ঝালকুড়ি, স্টেডিয়াম সহ কিছু কিছু স্থানের লাইট অনেক দিন যাবৎ বন্ধ রয়েছে।
নারায়নগঞ্জ হলো বাংলাদেশের অন্যতম ব্যবসায়ী এবং জনবহুল স্থান।এখানে আগস্ট ২৪ এর ৫ তারিখ এর পর থেকে রাত বারোটার পরথেকে ভোর ৫/৬ টা পর্যন্ত চলে ছিনতাই এবং ডাকাতি।এই রোডে ২/৩ টি বাইকে ৮/৯ জন লোক চলাচল করে। তাদের কিছু সহযোগী অত্র এলাকার বাউল গানের ক্লাবে থেকে টাকা ওয়ালা এবং তাদের টার্গেট এর লোকদের সনাক্ত করে তাদের সহোযোগিদের বলে ।বিশেষ করে গানের ক্লাবের কারনে লোকজনের চলাচল বেশী থাকে এবং ছিনন্তাইকারীরা ওৎ পেতে থাকে।
সপ্তাহের প্রায় ৪/৫ দিন স্টেডিয়াম থেকে ঝালকুড়ি এর মাঝে যুব উন্নয়ন এর পাশের গলি এবং এর দক্ষিণ পাশের গলি তে ভোর ৫/৬ টার দিকে বর্তমানে প্রতিনিয়ত ছিনতাই ঘটতেছে।তারা বিভিন্ন প্রকার দেশীয় অশ্র ব্যবহার করে। কোনো কোনো সময়ে আঘাত করে রক্তাক্ত করে টাকা পয়সা মোবাইল ছিনিয়ে নেয়।
এলাকার ভুক্তভোগী সহ সাধারনর জনগন দৈনিক তথ্যানুসন্ধান কে বলেন এই ছিনতাইকারীর জন্য দায়ী হলো এই বাউলগানের আসর এবং কিছুটা দায়ী এই ল্যম্পপোস্ট।এই ল্যম্পপোস্ট গুলো ঠীকমত ঝালানো থাকলে ছিনতাইকারীর কবল থেকে সাধারন জনগন কিছুটা রক্ষা পেত।
এলাকাবাসী আরো বলেন, এই ল্যম্পপোস্টগুলো বন্ধ থাকার পেছনে প্রশাসনের হাত আছে। ছিনতাইকারীরা তাদের সুবিধার জন্য প্রসাশনের সাথে একটা লিয়াজো করে ল্যম্পপোস্ট বন্ধ রাখছে ।
এলাকাবাসী এবং ভুক্তভোগী রা মাননীয় উর্দ্দ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃস্টি আকর্শন করছেন এবং তাদের সহযোগীতা কামনা করছেন।