
মোঃ ফারুক হোসাইন জনি, কুমিল্লা (উত্তর) জেলা প্রতিনিধিঃ “সময় বদলায়, বন্ধুত্ব থাকে একই,
চলো আবার এক সাথে হই” এই স্লোগানকে সামনে রেখে, এসএসসি -১৪ ব্যাচ কুমিল্লা -৪ (দেবিদ্বার) আসনের জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক (শাপলা কলি) প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহর পাইলটিয়ান বন্ধুদের উদ্যোগে ৩১ জানুয়ারি (শনিবার) বিকেলে দেবিদ্বার সরকারি রেয়াজ উদ্দিন পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে । উক্ত অনুষ্ঠানে
ডেভিড মোহাম্মদ আঁখি ও সরকার সাকিবের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক, হাসনাত আব্দুল্লাহ।
দীর্ঘদিন পর একত্রিত হওয়া বন্ধুদের হাসি-আনন্দ, স্মৃতিচারণ আর আবেগের পাশাপাশি এই আয়োজন রূপ নেয় ভবিষ্যৎ রাজনীতির এক শক্ত বার্তায় । পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠানে স্মৃতির পাতায় ফিরে যাওয়ার পাশাপাশি উঠে আসে দেবিদ্বারের আগামী দিনের নেতৃত্ব, দায়বদ্ধতা, ন্যায়ভিত্তিক ও ইনসাফভিত্তিক রাজনীতির প্রত্যাশা লক্ষ্যে হাসনাত আব্দুল্লাহ নিয়ে এবং এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে। এরি ধারাবাহিকতায় ২০১৪ ব্যাচ প্রবাসী বন্ধুদের পক্ষ থেকে নির্বাচন পরিচালনার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে ১৪ লাখ টাকার একটি চেক
অনুষ্ঠানে উপস্থিত শিক্ষক, প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও আমন্ত্রিত অতিথিদের সামনে হাসনাত আব্দুল্লাহ হাতে দেন ।
হাসনাত আব্দুল্লাহ আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বলেন,
আজ আমি এখানে কোনো রাজনীতিবিদ হিসেবে নয়, একজন পাইলটিয়ান বন্ধু হিসেবে দাঁড়িয়ে আছি । এই সহায়তা কেবল অর্থের নয় এটি বিশ্বাস, ভালোবাসা এবং একটি ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নের প্রতিফলন।
তিনি আরও বলেন, প্রবাসে থেকেও আমার বন্ধুরা দেশের জন্য, দেবিদ্বারের মানুষের জন্য যে দায়বদ্ধতা দেখিয়েছেন, তা আমাকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছে। আমি দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, এই অর্থের একটি টাকাও অপচয় হবে না।
তিনি বলেন, এই সহায়তা দেবিদ্বারের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে যথাযথভাবে ব্যয় করা হবে।
হাসনাত আরো বলেন “আমার কাছে রাজনীতি ক্ষমতার সিঁড়ি নয়; রাজনীতি মানে মানুষের পাশে দাঁড়ানো । উক্ত পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে ২০১৪ ব্যাচের মধ্যে থেকে বক্তব্য রাখেন, আলআমিন, সিক্ত, সাইফুল, ফয়সাল, সাকিবুল ইসলাম, সাগর, শুভ, শাহিন ,আশরাফুল ,আজিমসহ একাধিক বন্ধু আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বলেন, “হাসনাত সবসময়ই নেতৃত্বে ছিল—স্কুলজীবন থেকেই । আজ সে জাতীয় রাজনীতির ময়দানে। আমরা বিশ্বাস করি, সে দেবিদ্বারের মানুষের দুঃখ-কষ্ট, আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রকৃত কণ্ঠস্বর হয়ে উঠবে। ”বন্ধুত্ব, বিশ্বাস ও আদর্শের শক্ত মেলবন্ধনে আয়োজিত এই পূর্ণমিলনী যেন কেবল অতীতের স্মৃতিতে ফিরে যাওয়া নয়—বরং ভবিষ্যৎ রাজনীতির জন্য এক সাহসী, ব্যতিক্রমী ও অনুপ্রেরণামূলক দৃষ্টান্ত। দেবিদ্বারের রাজনৈতিক অঙ্গনে এই উদ্যোগ ইতোমধ্যেই নতুন প্রত্যাশা, আলোচনা ও সম্ভাবনার জন্ম দিয়েছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।