
আব্দুল্লাহ বাশার, কোটচাঁদপুর: আগুনে পোড়া প্রতিবেশী রশিদা খাতুনকে সাহায্য করতে গিয়ে সড়ক দূর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে বর্তমানে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন কলেজ ছাত্র রকিবুল ইসলাম রকি (২৫)। সে কোটচাঁদপুর উপজেলার দয়ারামপুর গ্রামের নাজিম উদ্দীনের ছেলে ও অর্নাস শেষ বর্ষের ছাত্র।
তথ্য নিয়ে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার দোড়া ইউনিয়নের দয়ারামপুর গ্রামের বদরুদ্দিন বুদোর স্ত্রী রশিদা খাতুন (৩৫) গত ৩০ ডিসেম্বর বাড়ির পাশে শীত নিবারণের জন্য আগুন জ্বালিয়ে তাপাচ্ছিলেন। এ সময় হঠাৎ আগুন ধরে তাঁর শরীর পুড়ে যাওয়ায় স্বজনরা তাঁকে উদ্ধার করে কোটচাঁদপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
রশিদা খাতুনের চিকিৎসার খোঁজ খবর নিতে হাসপাতালে যান রকিবুল ইসলাম (রকি)। গিয়ে জানতে পারেন রশিদা কে উন্নত চিকিৎসার জন্য বাইরের ভালো কোনো হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসক। সেই অনুযায়ী বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্য কোথাও নিয়ে যাবেন বলে মনস্তির করে পরিবার। হাসপাতাল থেকে ইজিবাইকে বাড়ি ফেরার পথে কোটচাঁদপুর তালসার সড়কের ফুলবাড়ি নামক স্থানে পৌছালে অপর দিক থেকে আসা মাইক্রোবাসে ধাক্কা লাগে। এতে রকির একটি হাত ও পা ভেঙে যায়।
একই ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন রশিদা খাতুন ও তাঁর স্বামী বদর উদ্দিন। বর্তমানে রশিদা খাতুন যশোর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকলেও উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকায় রেফার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।
দয়ারামপুর গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য ও ইউনিয়ন যুব দলের আহ্বায়ক মইদুল ইসলাম বলেন, রশিদা খাতুন শীত নিবারণের জন্য আগুন তাপাচ্ছিলেন। সেই আগুনে তাঁর শরীর পুড়ে যায়। তাকে দেখতে গিয়েছিলো রকিবুল হাসপাতাল থেকে ফেরার পথে মাইক্রোবাসের ধাক্কায় গুরুতর আহত হন। সে খুব ভালো ছেলে, সব সময় সবার উপকারে এগিয়ে যান। রশিদা খাতুন তাঁর প্রতিবেশী চাচী। তাঁর দূর্ঘটনার খোঁজ নিতে গিয়ে এখন নিজেই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।