
মো. মাকছুদুর রহমান, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারঃ কুমিল্লার বিভিন্ন বাজারে শীতকালীন সবজির সরবরাহ বাড়তে শুরু করলেও দাম কমেনি তেমন, বরং চড়া দামে কিনতে হচ্ছে ক্রেতাদের। একই সঙ্গে গ্রীষ্মকালীন সবজির দামও কেজিপ্রতি ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে। মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) কুমিল্লার বিভিন্ন উপজেলার বাজার ঘুরে দেখা গেছে শীতকালীন সবজি শিম কেজিপ্রতি ১৫০ থেকে ২০০ টাকা, টমেটো ১৩০ থেকে ১৬০ টাকা, গাজর ১২০ থেকে ১৩০ টাকা, মুলা ৬০ টাকা, ফুলকপি (ছোট) ৬০–৭০ টাকা, বাঁধাকপি ৭০–৮০ টাকা এবং লাউ ৫০–৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে গ্রীষ্মকালীন সবজি যেমন—ঝিঙা, করলা, বরবটি, বেগুন, কচুর লতি, পটল ও চিচিঙ্গা ৮০–১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাঁচামরিচের কেজি ১৫০–২০০ টাকা, তবে পেঁপে কিছুটা সস্তা, ২৫–৩০ টাকা কেজি। এছাড়া মিষ্টি কুমড়া ৫০-৬০ টাকা, দেশি শসা ৭০ টাকা এবং হাইব্রিড শসা ৫০ টাকা কেজিতে পাওয়া যাচ্ছে। বাজারে লেবুর হালি ২০–৪০ টাকা, ধনেপাতা ৩৫০ টাকা কেজি, কাঁচা কলার হালি ৫০ টাকা, চাল কুমড়া ৬০ টাকা পিস, ক্যাপসিকাম ৪০০ টাকা এবং কাঁকরোল ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শাকসবজির মধ্যে লাল শাক ৩০ টাকা আঁটি, লাউ শাক ৫০ টাকা, কলমি শাক দুই আঁটি ৩০ টাকা, পুঁই শাক ৪০ টাকা এবং ডাটা শাক দুই আঁটি ৫০ টাকা। আলু ২০ টাকা কেজি, দেশি পেঁয়াজ ৭৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। মুরগির বাজারেও বৈচিত্র্য—সোনালি কক ৩১০ টাকা, সোনালি হাইব্রিড ২৯০ টাকা, লাল লেয়ার ৩১০ টাকা, সাদা লেয়ার ৩০০ টাকা, ব্রয়লার ১৮০ টাকা এবং দেশি মুরগি কেজিপ্রতি ৫৮০–৫৯০ টাকা। মাছের বাজারে ইলিশের কেজি ২২০০–২৫০০ টাকা, চাষের শিং মাছ ৩৫০–৫৫০ টাকা, দেশি শিং ১০০০–১২০০ টাকা, রুই ৪০০–৫৫০ টাকা, দেশি মাগুর ৮০০ টাকা, পাঙ্গাস ২০০–২৩০ টাকা, চিংড়ি ৮০০–১৪০০ টাকা, বোয়াল ৬০০–৮০০ টাকা, বড় কাতল ৪০০–৫৫০ টাকা, পাবদা ৪০০–৪৫০ টাকা, তেলাপিয়া ২২০ টাকা, কৈ ২২০–২৩0 টাকা, মলা ৫০০ টাকা, টেংরা ৬০০–৮০০ টাকা এবং পাঁচ মিশালি মাছ ২২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। মাংসের বাজারে গরুর মাংস কেজিপ্রতি ৭৫০–৭৮০ টাকা, খাসি ১২০০ টাকা। মসলা ও ডালের মধ্যে দেশি আদা ১৪০–১৬০ টাকা, চায়না আদা ২০০ টাকা, দেশি রসুন ১০০ টাকা, ইন্ডিয়ান রসুন ১৪০ টাকা, দেশি মসুর ডাল ১৬০ টাকা, মুগ ডাল ১৮০ টাকা, ছোলা ১১০ টাকা এবং খেসারির ডাল ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চালের বাজারেও দাম উঁচু—মিনিকেট ৮৫–৯২ টাকা, নাজিরশাইল ৮৪–৯০ টাকা, স্বর্ণা ৫৫ টাকা এবং আটাশ ৬৫-৭০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে। সার্বিকভাবে সরবরাহ বাড়লেও বাজারে শীত-গ্রীষ্ম মিলিয়ে সব ধরনের পণ্যের দামই ক্রেতাদের ক্রয় ক্ষমতার বাহিরে।