1. admin@dailytathyanusandhan.com : admin :
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মেঘনায় ১১ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিরাপদ বিশুদ্ধকরন পানির ফিল্টার বিতরণ দেবিদ্বারে স্ত্রীর মর্যাদা ও সন্তানের স্বীকৃতির দাবিতে প্রবাসীর বাড়িতে এক নারীর অবস্থান মাদক কারবারিরা সমাজের সবচেয়ে বড় শত্রু, এদের আইনের হাতে তুলে দিন : ইউএনও অশোক বিক্রম চাকমা সাংবাদিক জনি ফারুককে হেয়প্রতিপন্ন করতে ভিত্তিহীন ভুয়া সংবাদপত্রের কাটিং বানিয়ে অপপ্রচার, তীব্র প্রতিবাদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মাদক সেবীদের ডোপ টেস্টের ব্যবস্থা করা হবে কোটচাঁদপুর আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় এমপি,মতিয়ার রহমান সরকার নাগরিকদের অধিকার রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : আইনমন্ত্রী হলফনামায় ভুয়া সনদ দাখিলের অভিযোগ এমপি নয়নের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জে আওয়ামীলীগের রাজনীতি চাঙ্গা করতে মামা ভাগ্নের নীল নকশা সালনা ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার অভিভাবকদের মত বিনিময় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত. আইনশৃঙ্খলা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ঝিনাইদহ জেলার শ্রেষ্ঠ থানা মহেশপুর

গোমতী নদীতে অবৈধ চায়না জাল: মৎস্যসম্পদ হুমকির মুখে

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ২০১ বার পঠিত

জিএম মাকছুদুর রহমানঃ কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার বিভিন্ন স্থানে গোমতী নদীতে প্রকাশ্যে অবৈধ চায়না জাল বসিয়ে নির্বিচারে মাছ শিকার চলছে। ফলে নদীর দেশীয় প্রজাতির মাছের অস্তিত্ব চরম হুমকির মুখে পড়ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দেবিদ্বার উপজেলার কালিকাপুর ব্রিজ থেকে পশ্চিম দিকে চানপুর ভূমি অফিস সংলগ্ন নদীপথে প্রতিদিনই অবাধে মাছ শিকার করা হচ্ছে। এখানে নদীর দুই পাড় জুড়ে অসংখ্য চায়না জাল বসানো হয়। শুধু এখানেই নয়, একই নদীর লক্ষিপুর ব্রিজ ও শিমনগর অংশের চরজুড়ে বসানো হয়েছে শতাধিক অবৈধ জাল। এসব জালে প্রচুর পরিমাণ দেশীয় প্রজাতির ছোট-বড় মাছ ধরা পড়ছে। স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে প্রভাবশালী একটি চক্র প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে এসব অবৈধ জাল ব্যবহার করছে। এতে যেমন নদীর মৎস্যসম্পদ ধ্বংস হচ্ছে, তেমনি প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্যও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিশেষ করে রুই, কাতলা, মৃগেল, টেংরা, শোলসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছের প্রজনন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। চায়না জাল ব্যবহারের কারণে নদীতে মাছের সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাচ্ছে বলে দাবি করেছেন এলাকার জেলেরা। তারা অভিযোগ করে বলেন, “আমরা নিয়ম মেনে জাল ফেললেও চায়না জালের কারণে মাছের সংখ্যা দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে। ফলে আমাদের জীবিকা এখন হুমকির মুখে।” এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। তারা বলেন, “যদি দ্রুত অভিযান চালিয়ে এসব অবৈধ জাল অপসারণ না করা হয়, তাহলে অদূর ভবিষ্যতে গোমতী নদীতে দেশীয় প্রজাতির মাছ বিলুপ্ত হয়ে যাবে।” মৎস্য আইন অনুযায়ী, চায়না জালসহ বিভিন্ন অবৈধ জাল ব্যবহার করে মাছ ধরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তবুও নদীর বিভিন্ন অংশে প্রতিদিনই এ ধরনের জাল বসানো হচ্ছে, যা আইন প্রয়োগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের গাফিলতির পরিচায়ক বলে মন্তব্য করেছেন অনেকে। এ বিষয়ে দেবিদ্বার উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য দপ্তরের জরুরি পদক্ষেপ কামনা করেছে স্থানীয়রা।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © তথ্যানুসন্ধান ২০২৫
Theme Customized By Shakil IT Park