
স্টাফ রিপোর্টার: সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ এসিল্যান্ড অফিসকে নিয়ে একটি পক্ষ অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে এমনটাই দাবি স্থানীয়দের। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
অনেকেই বলছেন একটি পক্ষ অনৈতিক সুবিধা নিতে না পেরে তারা ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা চালাচ্ছে।
সরজমিনে গিয়ে স্থানীয়দের কাছে জানা যায়, গত ১৬ নভেম্বর সাবেক জেলা প্রশাসক মোঃ মোস্তাক আহমেদ আকর্ষিক পরিদর্শনে যান
কালীগঞ্জ উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের জয়পত্র কাটি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে এসময়
ঝাড়ুদার নাসিমাকে বরখাস্ত করেন তিনি এবং রতনপুর এলাকার রমেশ চন্দ্র মন্ডলের স্ত্রীর দোকানের বিষয়টি ১ বছর পূর্বের।সে সময় সহকারী কমিশনার ভূমি অমিত কুমার বিশ্বাস ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার অনুজা মণ্ডল দায়িত্বে ছিলেন। ঐ সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারি কমিশনার ভূমি বিষয়টি নিষ্পত্তি করেন।
পূর্বের মীমাংসিত বিষয়টিকে পুঁজি করে বর্তমান এসিল্যান্ড স্যার ও অফিসের কর্মচারীদেরকে জড়িয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে তারা এমনটাই দাবি স্থানীয়দের।
স্থানীয়রা আরো জানান,বর্তমান এসিল্যান্ড স্যার যোগদান করার পর থেকে সকল সরকারি নিয়ম-কানুন মেনেই সেবা প্রত্যাশীদের জন্য কাজ করে চলেছে।তিনি সকল দুর্নীতির ঊর্ধে থেকে দ্রুততার সাথে কাজ সম্পন্ন করছে ।অফিসের সকলেই স্যারের নির্দেশ মত সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। কোন প্রকার অনিয়ম ও দুর্নীতি করার কেউ সুযোগ পাচ্ছে না।
বিষয়টি নিয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মইনুল ইসলাম খানের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন,আমি সদ্য যোগদান করেছি,আমি যতদিন এই অফিসে থাকবো আমার অধীনস্থ কাউকে কোন প্রকার অনিয়ম দুর্নীতি করতে দিব না। যে বিষয় নিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমাকে জড়ানো হচ্ছে তার কোন ভিত্তি নেই।