
জিএম মাকছুদুর রহমান, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার: বাংলাদেশ টেলিভিশনের প্রখ্যাত উপস্থাপক, সংগীত পরিচালক ও সাংবাদিক জয় মাহমুদের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী আজ ।
“বহুরূপী প্রতিভাধর জয় মাহমুদ ছিলেন সৃষ্টিশীলতার অনন্য প্রতীক” বাংলাদেশ টেলিভিশনের সিনিয়র প্রোগ্রাম উপস্থাপক, পরিকল্পক, গীতিকার, সুরকার ও সংগীত পরিচালক জয় মাহমুদের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী আজ (১০ নভেম্বর ২০২৫)। সাংবাদিকতা, সংগীত ও সংস্কৃতিচর্চায় এক অনন্য ভূমিকা রেখে মাত্র ৪৬ বছর বয়সে ২০২২ সালের ১০ নভেম্বর তিনি ইহলোক ত্যাগ করেন। জয় মাহমুদ ছিলেন বলিভদ্রপুর মাঠপাড়া গ্রামের কৃতি সন্তান। তাঁর পিতা রবিউল ইসলাম ও মাতা মোছাঃ সখিনা বেগম। ১৯৭৬ সালের ১১ সেপ্টেম্বর তিনি সম্ভান্ত্র এক মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। শিক্ষাজীবনে তিনি ছিলেন মেধাবী ও কর্মনিষ্ঠ। ইংরেজি ভাষা শিক্ষায় উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনের পাশাপাশি তিনি ছিলেন এম.এ, আইইএলটিএস এবং টোফেল ইন্সট্রাক্টর। দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ টেলিভিশনে তিনি সিনিয়র প্রোগ্রাম উপস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। শুধু উপস্থাপকই নন, তিনি ছিলেন একাধারে পরিকল্পক, গীতিকার, সুরকার ও সংগীত পরিচালক। তার সৃজনশীলতা টেলিভিশনের নানা অনুষ্ঠানে ছড়িয়ে আছে আজও। তিনি ছিলেন সভাপতি-সম্পাদকদের কণ্ঠ ও সেন্ট্রাল এডিটরস কাউন্সিলের নেতৃত্বে সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ করার এক আলোকবর্তিকা।
জয় মাহমুদ ছিলেন জাতীয় দৈনিক তথ্যানুসন্ধান ও ইংরেজি Assignment পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক। তাছাড়া তিনি ছিলেন—প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি: বাংলাদেশ প্রেস ইউনিয়ন, প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান: সরেজমিন এইচ আর, চেয়ারম্যান: Channel 41 Limited, তাঁর লেখা ইংরেজি বই Speaking & Fundamentals দেশ-বিদেশের ইংরেজি শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। সহকর্মী, সাংবাদিক, সংগীতশিল্পী ও গুণগ্রাহী সমাজ আজও স্মরণ করেন তাঁকে গভীর শ্রদ্ধায়। তাঁর অকালে মৃত্যু বাংলাদেশের গণমাধ্যম ও সংস্কৃতি অঙ্গনে এক অপূরণীয় ক্ষতি সৃষ্টি করেছে। আজ তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে পরিবার, সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও ভক্তরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা স্মৃতিচারণা, দোয়া মাহফিল ও শ্রদ্ধা নিবেদনের আয়োজন করেছেন। “জয় মাহমুদ ছিলেন এক অদম্য স্বপ্নবাজ। তাঁর প্রতিটি কাজ ছিল সমাজ ও জাতির জন্য প্রেরণার উৎস। “জয় মাহমুদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় তাঁর প্রিয়জন, সহকর্মী ও গুণগ্রাহীরা দোয়া কামনা করেছেন। আল্লাহ তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন — আমিন।