1. admin@dailytathyanusandhan.com : admin :
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৫৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মেঘনায় ১১ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিরাপদ বিশুদ্ধকরন পানির ফিল্টার বিতরণ দেবিদ্বারে স্ত্রীর মর্যাদা ও সন্তানের স্বীকৃতির দাবিতে প্রবাসীর বাড়িতে এক নারীর অবস্থান মাদক কারবারিরা সমাজের সবচেয়ে বড় শত্রু, এদের আইনের হাতে তুলে দিন : ইউএনও অশোক বিক্রম চাকমা সাংবাদিক জনি ফারুককে হেয়প্রতিপন্ন করতে ভিত্তিহীন ভুয়া সংবাদপত্রের কাটিং বানিয়ে অপপ্রচার, তীব্র প্রতিবাদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মাদক সেবীদের ডোপ টেস্টের ব্যবস্থা করা হবে কোটচাঁদপুর আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় এমপি,মতিয়ার রহমান সরকার নাগরিকদের অধিকার রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : আইনমন্ত্রী হলফনামায় ভুয়া সনদ দাখিলের অভিযোগ এমপি নয়নের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জে আওয়ামীলীগের রাজনীতি চাঙ্গা করতে মামা ভাগ্নের নীল নকশা সালনা ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার অভিভাবকদের মত বিনিময় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত. আইনশৃঙ্খলা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ঝিনাইদহ জেলার শ্রেষ্ঠ থানা মহেশপুর

শ্যামনগরে আশ্রয়ণের ঘর আছে, মানুষ নেই বসবাস করছে পশু পাখি

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১৫৪ বার পঠিত

রাকিবুল হাসান শ্যামনগর (সাতক্ষীরা)প্রতিনিধিঃ শ্যামনগর উপজেলার কৈখালী গ্রামের আশ্রয়ণ প্রকল্পের ১২টি ঘর থাকলেও ১০টি ঘরে এখন আর কেউ থাকেন না, সবগুলো তালাবদ্ধ। ফলে কোথাও ধরেছে ফাটল আবার বাঁধে কোথাও দেখা দিয়েছে ভাঙন। এ প্রকল্পে জন্য নেই কোনো পানি, বিদ্যুৎ, ও জীবিকার ব্যবস্থা। এসব কারণে দীর্ঘদিন থেকে সেখানে আর কেউ থাকেন না। ফিরে গেছেন পুরনো ঠিকানায় অপরিকল্পিতভাবে নদীর চরে এসব ঘর নির্মাণ করায় এখানে ঘরগুলো ফাঁকা পড়ে আছে বলে ভুক্তভোগীরা মনে করছেন।জানা গেছে, ২০২১-২২ অর্থবছরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ণ প্রকল্প-২-এর আওতায় উপজেলার কৈখালী ইউনিয়নের,কৈখালী গেটপাড়া গ্রামের স্রুইজ গেটের পাশে মাদার নদীর চরে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের থাকার জন্য ১২টি ঘর নির্মাণ করা হয়েছিলো।যে ঘরগুলো সরকারের উপহারের ঘর হিসেবে পরিচিতি ছিল। যার প্রতিটি ঘরের জন্য বরাদ্দ ছিল ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা। তবে বরাদ্দ পেয়ে সেসব ঘরে ওঠার পর বছর খানেক যেতে না যেতেই সেখান থেকে একে একে চলে গেছেন সবাই।সরেজমিনে যেয়ে দেখা যায়, প্রতিটি ঘর তালাবদ্ধ আছে। মাত্র দুইটা ঘরে বসবাস করছে একটি পরিবার দেখা গেছে।দীর্ঘদিন ধরে কেউ না থাকায় সেখানে বিভিন্ন প্রজাতির পশুপাখি ও বসবাস করছে।আশ্রয়ন প্রকল্পের বসবাস রত আলাউদ্দিন বলেন, আমরা কি ভাবে এখানে বসবাস করবো নেই পানির ব্যবস্থা নাই বিদ্যুৎ সংযোগ এরপরও নদী ভাঙ্গনের সমস্যা ও প্রতিটা ঘরে ফাটল দেখা দিয়েছে।আছিয়া বেগম বলেন নদীর পাড়ে থাকা আমাদের সম্ভব হচ্ছে না।কারণ জানতে চাইলে বলেন আমাদের খাবার পানির সমস্যা গোসল করার মত কোন পুকুর বা টিউবওয়েল নেই বিদ্যুৎ সংযোগ তো দূরের কথা। আরো কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তির সঙ্গে কথা হলে তারা জানান,পাশে সরকারি স্রুইজ গেট থাকার কারনে আশ্রয়ন প্রকল্পের বাঁধে ভাঙন সৃষ্টি হচ্ছে এরপরেও এখানে মূলত সমস্যা খাবার পানি, গোসল করার মত কোন পুকুর বা টিউবওয়েল নেই পার্শ্ববর্তী প্রতিবেশীদের পুকুরে যেতে না দেওয়ায় আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘরে কেউ থাকতে চাচ্ছে না।
এবিষয়ে কৈখালী ইউপি চেয়ারম্যান শেখ আব্দুর রহিম বলেন, এখানে মূলত সমস্যা খাবার পানি,গোসলের করার জন্য কোন পুকুর বা টিউবওয়েল নেই, এবং বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘরে একটু সমস্যা হচ্ছে।তবে আমরা চেষ্টা করছি বিষয় গুলো সমাধান করার জন্য।
এ দিকে শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছাঃ রনী খাতুন এর সাথে কথা হলে পানি ও বিদ্যুৎতে ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস প্রদান করেন তিনি।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © তথ্যানুসন্ধান ২০২৫
Theme Customized By Shakil IT Park