1. admin@dailytathyanusandhan.com : admin :
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মেঘনায় ১১ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিরাপদ বিশুদ্ধকরন পানির ফিল্টার বিতরণ দেবিদ্বারে স্ত্রীর মর্যাদা ও সন্তানের স্বীকৃতির দাবিতে প্রবাসীর বাড়িতে এক নারীর অবস্থান মাদক কারবারিরা সমাজের সবচেয়ে বড় শত্রু, এদের আইনের হাতে তুলে দিন : ইউএনও অশোক বিক্রম চাকমা সাংবাদিক জনি ফারুককে হেয়প্রতিপন্ন করতে ভিত্তিহীন ভুয়া সংবাদপত্রের কাটিং বানিয়ে অপপ্রচার, তীব্র প্রতিবাদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মাদক সেবীদের ডোপ টেস্টের ব্যবস্থা করা হবে কোটচাঁদপুর আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় এমপি,মতিয়ার রহমান সরকার নাগরিকদের অধিকার রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : আইনমন্ত্রী হলফনামায় ভুয়া সনদ দাখিলের অভিযোগ এমপি নয়নের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জে আওয়ামীলীগের রাজনীতি চাঙ্গা করতে মামা ভাগ্নের নীল নকশা সালনা ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার অভিভাবকদের মত বিনিময় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত. আইনশৃঙ্খলা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ঝিনাইদহ জেলার শ্রেষ্ঠ থানা মহেশপুর

দেবিদ্বারে এসিল্যান্ড অফিসের অসাধু কর্মচারী ও গ্রাম পুলিশের যোগসাজশে ব্যর্থ হচ্ছে প্রশাসনিক অভিযান

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৯ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১৩৩ বার পঠিত

জিএম মাকছুদুর রহমান, স্টাফ রিপোর্টারঃ কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলায় খাল-বিল, পুকুর ও কৃষিজমিতে অবৈধভাবে ড্রেজার বসিয়ে মাটি উত্তোলন করছে এক প্রভাবশালী সিন্ডিকেট। বছরের পর বছর এই সিন্ডিকেটের বেপরোয়া কর্মকাণ্ডে ধসে পড়ছে বসতবাড়ি, রাস্তাঘাটসহ নানা স্থাপনা, হুমকির মুখে পড়ছে স্থানীয় পরিবেশ ও কৃষি উৎপাদন। স্থানীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এসব ড্রেজার দিয়ে অনিয়ন্ত্রিতভাবে মাটি উত্তোলনের কারণে আতঙ্কে রয়েছেন সাধারণ মানুষ। ভুক্তভোগীরা প্রশাসনের কাছে বারবার লিখিত ও মৌখিক অভিযোগ জানালেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ তাদের। অভিযোগ রয়েছে, উপজেলা প্রশাসন ও ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ড্রেজার বিরোধী অভিযান পরিচালনার পরিকল্পনা হলেই স্থানীয় গ্রাম পুলিশ ও ভূমি অফিসের কিছু অসাধু কর্মচারী অভিযানের আগেই ড্রেজার মালিকদের সতর্ক করে দেন। এর বিনিময়ে চলে আর্থিক লেনদেনও। ফলে প্রশাসন ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই বন্ধ করে দেওয়া হয় ড্রেজার, আর অভিযান শেষ হলেই পুনরায় চালু করা হয় অবৈধ মেশিনগুলো। সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে খাল-বিল, পরিত্যক্ত ডোবা-পুকুর ও ফসলি জমিতে দিন-রাত অবৈধভাবে বালু উত্তোলন চলছে। এতে হুমকির মুখে পড়েছে সরকারি সড়ক ও শত শত একর কৃষিজমি। স্থানীয় ঠিকাদার ও বাড়ি নির্মাণকারীরা কম খরচে বালু পাওয়ার সুবিধায় এই অবৈধ বালু ব্যবহার করছেন, যার ফলে সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পগুলোও স্থায়িত্ব হারাচ্ছে—প্রতি বছরই অপচয় হচ্ছে কোটি কোটি টাকা। অবৈধ ড্রেজার পরিচালনাকারীদের মধ্যে রয়েছেন—রাজামেহার ইউনিয়নের কামাল হোসেন, আঃ হান্নান, মোবারক মিয়া, ফারুক হোসেন, জাকির হোসেন ও ফুল মিয়া (গ্রাম: মরিচা নোয়াপাড়া); গুনাইঘর দক্ষিণ ইউনিয়নের ময়নাল হোসেন ও বাবুল মিয়া (গ্রাম: মধুমুড়া); ইউসুফপুর ইউনিয়নের নুরুল ইসলাম (গ্রাম: মহেশপুর, কেয়ামুদ্দি সরকার বাড়ি); বড়শালঘর ইউনিয়নের মুস্তফা সরকার, দুলাল মিয়া ও কালাম সরকার; সুবিল ইউনিয়নের আব্দুস সালাম (গ্রাম: বুড়িরপাড়, পান্ডব সরকার বাড়ি); ধামতী ইউনিয়নের আক্তার হোসেন, আতিকুর রহমান ও কাবুল মেম্বার (গ্রাম: ধামতী ও কাশারীখলা); সুলতানপুর ইউনিয়নের আঃ আলিম, জুয়েল মিয়া ও নয়ন মিয়া (গ্রাম: গজারিয়া ও সুলতানপুর) প্রমুখ। সম্প্রতি এসব ড্রেজার দিয়ে অতিরিক্ত মাটি উত্তোলনের কারণে কয়েকটি এলাকায় সড়ক ও বসতবাড়ি দেবে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে বলে জানা গেছে। মৃত্তিকা সম্পদ ইনস্টিটিউট, কুমিল্লার প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা জানান, “মাটির নিচ থেকে কাদা-বালু উত্তোলনের ফলে তলদেশ ফাঁকা হয়ে যায়। দীর্ঘদিন এভাবে চলতে থাকলে ভূমি দেবে যেতে পারে, যা বড় ধরনের পরিবেশ বিপর্যয়ের কারণ হবে। পাশাপাশি কৃষিজমিগুলো স্থায়ীভাবে অকৃষি জমিতে পরিণত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।”স্থানীয় সচেতন মহল বলছেন, প্রশাসনের ভেতরের অসাধু চক্রকে চিহ্নিত করে ব্যবস্থা না নিলে দেবিদ্বারের ড্রেজার সিন্ডিকেটকে রোধ করা সম্ভব নয়।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © তথ্যানুসন্ধান ২০২৫
Theme Customized By Shakil IT Park