1. admin@dailytathyanusandhan.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৩৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে রাতের আঁধারে সড়ক কার্পেটিং, দেবিদ্বারে কাজ বন্ধ শিক্ষা ও জ্ঞানার্জনে সমাজের অন্ধকার দূর করার শপথ নিতে হবে:….. দেবিদ্বারে ইউএনও অশোক বিক্রম চাকমা শ্রীপুরে যুবদল নেতাকে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে মোটা অঙ্কের টাকা দাবির অডিও রেকর্ড রয়েছে যশোর বেনাপোলে ট্রাভেল পারমিটে ভারত থেকে দেশে ফিরলেন ১০ নারী সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে দেবিদ্বারে আইইএস জাতীয় মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত নগরঘাটায় ৮ দলীয় নকআউট ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচ অনুষ্ঠিত গাজীপুরের কাপাসিয়ায় আলী হোসেনের ওপর হামলার ঘটনায় রফিকুল ও টিপুসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা শ্রীপুরে বিএনপির নেতা মোশাররফ সরকারের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচারের প্রতিবাদ সংবাদ সম্মেলন যশোরে লংমার্চ সফলে শহরে জামায়াতের গণমিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ সাতক্ষীরায় এডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণের দাবিতে আইনজীবীদের মানববন্ধন

জনবল সংকটে বেনাপোল স্থলবন্দর এক দিনের কাজ হচ্ছে দুই দিনে, কাজের চাপ

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৪০ বার পঠিত

নজরুল ইসলাম যশোর প্রতিনিধি: দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ততম বেনাপোল স্থলবন্দরের কার্যক্রম তীব্র জনবল সংকটে ব্যাহত হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
প্রয়োজনীয় কর্মকর্তা-কর্মচারীর অভাবে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে ধীরগতি তৈরি হয়েছে। এতে পণ্য খালাস ও পরিবহনেও বিলম্ব হচ্ছে।বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বেনাপোল স্থলবন্দরে মোট ২১৬টি অনুমোদিত পদ রয়েছে। এর বিপরীতে বর্তমানে ১৪১ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মরত আছেন। ফলে ৭৫টি পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে বেনাপোল আমদানিকারক সমিতির সহসভাপতি আমিনুল হক আনু বলেন, “বন্দরে জনবল না থাকায় আমদানিকৃত পণ্য যথাসময়ে লোড-আনলোড করা যাচ্ছে না। ফলে এক দিনের কাজ কখনো দুই দিনে শেষ করতে হচ্ছে।জনবল সংকট: বেনাপোল বন্দরে এক দিনের কাজ হচ্ছে দুই দিনে, কাজের চাপ তিনি বলেন, বেনাপোলের সঙ্গে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের বড় একটি অংশ যুক্ত। তাই এই বন্দরের কার্যক্রমে ধীরগতি তৈরি হলে তার প্রভাব দেশের বিভিন্ন বাজারেও পড়বে।
তবে সংকট নিরসনে দ্রুত জনবল নিয়োগের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. মানজারুল মান্নান।
বন্দর থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, বেনাপোল বন্দরে ডেপুটি পরিচালকের মোট চারটি পদ রয়েছে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে এসব পদের বিপরীতে মাত্র একজন ডেপুটি পরিচালক দায়িত্ব পালন করছেন। একই সঙ্গে গত ৩ অগাস্ট বন্দরের পরিচালককে অন্যত্র বদলি করা হলেও এখনো নতুন পরিচালক নিয়োগ দেওয়া হয়নি।একজন কর্মকর্তার ওপর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব থাকায় কাজের চাপ বেড়েছে। পাশাপাশি বন্দরের বিভিন্ন বিভাগ ও স্থানে সমন্বয় করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।ওয়ারহাউস সুপারিনটেনডেন্টসহ বিভিন্ন কর্মচারী পদেও জনবল সংকট রয়েছে। অনুমোদিত পদের তুলনায় কমসংখ্যক কর্মচারী থাকায় কর্মরতদের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। এতে বন্দরের বিভিন্ন শেড ও গুদামে পণ্য ওঠানো-নামানো এবং তদারকির কাজে ধীরগতি তৈরি হচ্ছে।বন্দর ব্যবহারকারীরা বলছেন, আমদানি-রপ্তানির পরিমাণ বাড়লেও প্রয়োজনীয় জনবল না থাকায় বন্দরের বিভিন্ন পর্যায়ে কাজের গতি কমে যাচ্ছে। বিশেষ করে পণ্য ওঠানো-নামানো ও তদারকির সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তাদের ওপর বাড়তি চাপ পড়ছে।
বন্দরের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে দ্রুত জনবল নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন বন্দর ব্যবহারকারীরা। তাদের মতে, একটি বড় ও ব্যস্ত স্থলবন্দরের প্রশাসনিক কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য পর্যাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী প্রয়োজন। কিন্তু বর্তমানে জনবল সংকটের কারণে তা ব্যাহত হচ্ছে।বেনাপোল বন্দর আমদানি ও রপ্তানিকারক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া বলেন, “কোনো আমদানিকারকের প্রয়োজনের সময় সংশ্লিষ্ট শেডে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা না থাকলে পণ্য লোড বা আনলোডের কাজ শুরু করতেই দীর্ঘ সময় লেগে যায়। ফলে এক দিনের কাজ কখনো কখনো দুই দিন পরও শেষ করতে হচ্ছে।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, পণ্য খালাসে দেরি হলে ট্রাক আটকে থাকে। এতে আমদানিকারককে প্রতিদিন অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হয়। অনেক ক্ষেত্রে ট্রাক ভাড়া বাবদ প্রতিদিন প্রায় ২ হাজার টাকা অতিরিক্ত ব্যয় হচ্ছে। এই অতিরিক্ত খরচ শেষ পর্যন্ত পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেয় এবং এর চাপ গিয়ে পড়ে সাধারণ ভোক্তার ওপর।বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক লতা বলছেন, সমস্যার সমাধানে নতুন নিয়োগের পাশাপাশি বর্তমান জনবল কাঠামো পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। বেনাপোলে যে পদগুলো দীর্ঘদিন খালি রয়েছে, সেগুলো দ্রুত পূরণের পাশাপাশি ঢাকায় অনুমোদিত পদের অতিরিক্ত থাকা কর্মকর্তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী মাঠ পর্যায়ে পদায়নের বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।
বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. মানজারুল মান্নান বলেন, বর্তমানে বেনাপোল স্থলবন্দরে জনবল সংকট রয়েছে। সংকট নিরসনে যাতে দ্রুত জনবল নিয়োগ করা যায়, সেই চেষ্টা চলছে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © তথ্যানুসন্ধান ২০২৫
Theme Customized By Shakil IT Park