1. admin@dailytathyanusandhan.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৫৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে রাতের আঁধারে সড়ক কার্পেটিং, দেবিদ্বারে কাজ বন্ধ শিক্ষা ও জ্ঞানার্জনে সমাজের অন্ধকার দূর করার শপথ নিতে হবে:….. দেবিদ্বারে ইউএনও অশোক বিক্রম চাকমা শ্রীপুরে যুবদল নেতাকে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে মোটা অঙ্কের টাকা দাবির অডিও রেকর্ড রয়েছে যশোর বেনাপোলে ট্রাভেল পারমিটে ভারত থেকে দেশে ফিরলেন ১০ নারী সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে দেবিদ্বারে আইইএস জাতীয় মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত নগরঘাটায় ৮ দলীয় নকআউট ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচ অনুষ্ঠিত গাজীপুরের কাপাসিয়ায় আলী হোসেনের ওপর হামলার ঘটনায় রফিকুল ও টিপুসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা শ্রীপুরে বিএনপির নেতা মোশাররফ সরকারের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচারের প্রতিবাদ সংবাদ সম্মেলন যশোরে লংমার্চ সফলে শহরে জামায়াতের গণমিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ সাতক্ষীরায় এডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণের দাবিতে আইনজীবীদের মানববন্ধন

গোমতী নদীতে অবৈধ চায়না জাল: মৎস্যসম্পদ হুমকির মুখে

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ২১৯ বার পঠিত

জিএম মাকছুদুর রহমানঃ কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার বিভিন্ন স্থানে গোমতী নদীতে প্রকাশ্যে অবৈধ চায়না জাল বসিয়ে নির্বিচারে মাছ শিকার চলছে। ফলে নদীর দেশীয় প্রজাতির মাছের অস্তিত্ব চরম হুমকির মুখে পড়ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দেবিদ্বার উপজেলার কালিকাপুর ব্রিজ থেকে পশ্চিম দিকে চানপুর ভূমি অফিস সংলগ্ন নদীপথে প্রতিদিনই অবাধে মাছ শিকার করা হচ্ছে। এখানে নদীর দুই পাড় জুড়ে অসংখ্য চায়না জাল বসানো হয়। শুধু এখানেই নয়, একই নদীর লক্ষিপুর ব্রিজ ও শিমনগর অংশের চরজুড়ে বসানো হয়েছে শতাধিক অবৈধ জাল। এসব জালে প্রচুর পরিমাণ দেশীয় প্রজাতির ছোট-বড় মাছ ধরা পড়ছে। স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে প্রভাবশালী একটি চক্র প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে এসব অবৈধ জাল ব্যবহার করছে। এতে যেমন নদীর মৎস্যসম্পদ ধ্বংস হচ্ছে, তেমনি প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্যও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিশেষ করে রুই, কাতলা, মৃগেল, টেংরা, শোলসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছের প্রজনন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। চায়না জাল ব্যবহারের কারণে নদীতে মাছের সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাচ্ছে বলে দাবি করেছেন এলাকার জেলেরা। তারা অভিযোগ করে বলেন, “আমরা নিয়ম মেনে জাল ফেললেও চায়না জালের কারণে মাছের সংখ্যা দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে। ফলে আমাদের জীবিকা এখন হুমকির মুখে।” এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। তারা বলেন, “যদি দ্রুত অভিযান চালিয়ে এসব অবৈধ জাল অপসারণ না করা হয়, তাহলে অদূর ভবিষ্যতে গোমতী নদীতে দেশীয় প্রজাতির মাছ বিলুপ্ত হয়ে যাবে।” মৎস্য আইন অনুযায়ী, চায়না জালসহ বিভিন্ন অবৈধ জাল ব্যবহার করে মাছ ধরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তবুও নদীর বিভিন্ন অংশে প্রতিদিনই এ ধরনের জাল বসানো হচ্ছে, যা আইন প্রয়োগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের গাফিলতির পরিচায়ক বলে মন্তব্য করেছেন অনেকে। এ বিষয়ে দেবিদ্বার উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য দপ্তরের জরুরি পদক্ষেপ কামনা করেছে স্থানীয়রা।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © তথ্যানুসন্ধান ২০২৫
Theme Customized By Shakil IT Park