1. admin@dailytathyanusandhan.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৪০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে রাতের আঁধারে সড়ক কার্পেটিং, দেবিদ্বারে কাজ বন্ধ শিক্ষা ও জ্ঞানার্জনে সমাজের অন্ধকার দূর করার শপথ নিতে হবে:….. দেবিদ্বারে ইউএনও অশোক বিক্রম চাকমা শ্রীপুরে যুবদল নেতাকে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে মোটা অঙ্কের টাকা দাবির অডিও রেকর্ড রয়েছে যশোর বেনাপোলে ট্রাভেল পারমিটে ভারত থেকে দেশে ফিরলেন ১০ নারী সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে দেবিদ্বারে আইইএস জাতীয় মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত নগরঘাটায় ৮ দলীয় নকআউট ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচ অনুষ্ঠিত গাজীপুরের কাপাসিয়ায় আলী হোসেনের ওপর হামলার ঘটনায় রফিকুল ও টিপুসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা শ্রীপুরে বিএনপির নেতা মোশাররফ সরকারের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচারের প্রতিবাদ সংবাদ সম্মেলন যশোরে লংমার্চ সফলে শহরে জামায়াতের গণমিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ সাতক্ষীরায় এডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণের দাবিতে আইনজীবীদের মানববন্ধন

হলফনামায় ভুয়া সনদ দাখিলের অভিযোগ এমপি নয়নের বিরুদ্ধে

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৫০ বার পঠিত

ভোলা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. নুরুল ইসলাম নয়নের নির্বাচনি হলফনামায় জাল শিক্ষাগত সনদ ও মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগে তার সদস্যপদ বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেছেন ওই আসনের এক ভোটার।

রিটে একই সঙ্গে ভুয়া সনদ অনুসন্ধানের জন্য আর্জি জানানো হয়েছে। এ রিটের শুনানি ‘নট টু ডে’ (আজ নয়) করে পরবর্তী সময়ে শুনানির জন্য রেখেছেন হাইকোর্ট।

রিটটি শুনানির জন্য উপস্থাপন করা হলে মঙ্গলবার হাইকোর্টের বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি এস এম ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী রাফসান আলভী। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

রিটটি করেছেন ভোলা-৪ আসনের ভোটার আবদুল্লাহ আল মাহমুদ। তার অভিযোগ, সংসদ সদস্য মো. নুরুল ইসলাম নয়ন নির্বাচনি হলফনামায় সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে মাস্টার অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এমবিএ) উল্লেখ করে ইবাইস ইউনিভার্সিটির নামে একটি সনদ দাখিল করেছেন। তবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে ওই সনদটি তাদের নয় বলে জানানো হয়েছে।

রিটকারীর দাবি, নির্বাচনি হলফনামায় মিথ্যা শিক্ষাগত যোগ্যতার তথ্য দিয়ে মো. নুরুল ইসলাম নয়ন ভোটারদের বিভ্রান্ত ও প্রতারিত করেছেন।

রিটে বলা হয়েছে, সংসদীয় আসন নম্বর ১১৮, ভোলা-৪ (চরফ্যাশন-মনপুরা) থেকে ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচিত হন মো. নুরুল ইসলাম নয়ন।

নির্বাচনি হলফনামায় তিনি তার সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে ‘মাস্টার অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন’ উল্লেখ করেন। সেখানে ইবাইস ইউনিভার্সিটি থেকে ‘মাস্টার অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন উইথ মেজর ইন ম্যানেজমেন্ট’, সিজিপিএ ৩.২৮, নভেম্বর ২০০৮-এর একটি সনদ দাখিল করা হয়েছে বলে রিটে উল্লেখ করা হয়।

রিটকারীর দাবি, ইবাইস ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা ওই সনদটি জাল এবং এটি তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ নয় বলে জানিয়েছে। এ-সংক্রান্ত তথ্য-প্রমাণও রিটের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে।

রিটে আরও বলা হয়, সংসদ সদস্য মো. নুরুল ইসলাম নয়ন বিভিন্ন বক্তব্য ও বিবৃতিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগ থেকে অনার্স ও মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জনের কথা প্রচার করে আসছেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলের ১৯৮৯-৯০ শিক্ষাবর্ষের আবাসিক ছাত্র ছিলেন বলেও দাবি করেন।

তবে রিটকারীর দাবি, মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলের নথি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ভবনের সার্টিফিকেট ও মার্কশিট শাখায় মো. নুরুল ইসলাম নয়ন, পিতা মো. মহিউদ্দিন মিয়া নামে ইংরেজি বিভাগের ১৯৮৮ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত কোনো শিক্ষার্থীর তথ্য পাওয়া যায়নি।

এ কারণে রিটকারীর দাবি, নয়ন কখনোই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন না। অথচ রাজনৈতিক জীবনে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হিসেবে পরিচিতি ব্যবহার করেছেন।

রিটে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, মো. নুরুল ইসলাম নয়ন বর্তমানে বিএনপির অঙ্গসংগঠন জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক। এর আগে তিনি ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের একাধিকবারের সহ-সভাপতি ছিলেন বলে রিটে উল্লেখ করা হয়।

এছাড়া রিটকারীর আবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৮ সালে নির্বাচনি এলাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় মো. নুরুল ইসলাম নয়ন তার হলফনামায় সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা ‘এমএ’ বা মাস্টার অব আর্টস উল্লেখ করেছিলেন। কিন্তু ২০২৬ সালের নির্বাচনি হলফনামায় তিনি সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে এমবিএ উল্লেখ করেন।

রিটকারীর অভিযোগ, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও সনদ নিয়ে হলফনামায় অসত্য তথ্য দেওয়ার কারণে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) ৯১এফ ধারায় তার সংসদ সদস্য পদ বাতিলের ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © তথ্যানুসন্ধান ২০২৫
Theme Customized By Shakil IT Park