1. admin@dailytathyanusandhan.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৩৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে রাতের আঁধারে সড়ক কার্পেটিং, দেবিদ্বারে কাজ বন্ধ শিক্ষা ও জ্ঞানার্জনে সমাজের অন্ধকার দূর করার শপথ নিতে হবে:….. দেবিদ্বারে ইউএনও অশোক বিক্রম চাকমা শ্রীপুরে যুবদল নেতাকে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে মোটা অঙ্কের টাকা দাবির অডিও রেকর্ড রয়েছে যশোর বেনাপোলে ট্রাভেল পারমিটে ভারত থেকে দেশে ফিরলেন ১০ নারী সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে দেবিদ্বারে আইইএস জাতীয় মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত নগরঘাটায় ৮ দলীয় নকআউট ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচ অনুষ্ঠিত গাজীপুরের কাপাসিয়ায় আলী হোসেনের ওপর হামলার ঘটনায় রফিকুল ও টিপুসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা শ্রীপুরে বিএনপির নেতা মোশাররফ সরকারের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচারের প্রতিবাদ সংবাদ সম্মেলন যশোরে লংমার্চ সফলে শহরে জামায়াতের গণমিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ সাতক্ষীরায় এডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণের দাবিতে আইনজীবীদের মানববন্ধন

বুড়িচং থানার ওসি লুৎফর রহমান, ও দেবপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সুরেজিত বড়ুয়ার বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১৩১ বার পঠিত

কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানার ওসি লুৎফর রহমান, ও দেবপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সুরেজিত বড়ুয়ার বিচার ও পুলিশ কর্তৃক হয়রানি,নারী ও শিশু কে হেনস্থা সহ মিথ্যা মামলার দায় থেকে মুক্তি পেতে ৬ জনের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট করেছেন ভোক্তবোগী লিজা আক্তার

গত ২২ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আইনজীবী ও ন্যাশনাল লইয়ার্স কাউন্সিলের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এস. এম. জুলফিকুর আলী জুনু বাদিনী লিজার পক্ষে রিটটি দাখিল করেন।

হাইকোর্টের বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহ ও বিচারপতি কাজী ওয়ালিউল ইসলাম এর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ শুনানী শেষে সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের বিরুদ্ধে চার সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে আদেশে দেন।

রিটে পুলিশ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কোন কর্মকর্তার মাধ্যমে স্থানীয় ও নিরপেক্ষ ভাবে তদন্তক্রমে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং পুলিশ প্রশাসনের সাথে আমাদের বিভ্রান্তি এড়াতে, পুলিশ কর্তৃক হয়রানি ও মিথ্যা মামলার দায় থেকে মুক্তি এবং বেআইনি কার্যক্রমের জন্য অভিযুক্ত কর্মকর্তা গংদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থাসহ চাকুরী থেকে অব্যাহতি প্রদানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী জানান ভোক্তবোগী লিজা আক্তার

ভোক্তবোগী লিজা আক্তার ঘটনার বর্ণনা দিয়ে আমাদের প্রতিবেদক কে জানান আমার স্বামী ইকবালসহ তারা ৫ ভাই, সম্প্রতি আমার বাসোর আব্দুল মান্নান সৌদী থেকে বাড়িতে এসে পৃথক বিল্ডিং তৈরির জন্য তার নিজেস্ব ৬ শতকের সাথে ইকবালের ৬ শতক নিয়ে মোট ১২ শতকে এককভাবে একটি বিল্ডিং করার পরিকল্পনায় মোঃ ইকবালকে ৬ শতক জায়গা ছেরে দেয়ার প্রস্তাব করেন এই প্রস্তাবে রাজী না হওয়ায় মান্নান, তার স্ত্রী শিল্পি বেগম ও ছেলে রবিউল হাছান গংদের সাথে আমার স্বামী ইকবাল ও জালালের বিরোধ সৃষ্টি হয়।

এই নিয়ে পারিবারিক দ্বন্ধে গত ২রা জুন ইং তারিখে আঃ মান্নান তার স্ত্রী শিল্পী আক্তার ও পুত্র রবিউলসহ রাত আনুমানিক ১০টায় ইকবালকে এ লাপাথারি মারধর শুরু করলে জালাল আমার ননদ শেফালী আমি নিজে ঝগড়া থামানোর চেষ্টা করলে মান্নানের ছেলে রবিউল বাঁশ লাঠি দিয়ে আমার স্বামী ইকবালকে মেরে ফেলার উদ্দেশ্যে মাথায় আঘাত করলে উক্ত আঘাত প্রাপ্ত হয়ে ইকবাল মাটিতে পড়ে যায় তাৎকনিক রবিউল হাতে থাকা ক্ষুর দিয়ে ইকবালের গলায় পোচ দিতে গলে ইকবাল হাত দিয়ে ক্ষুর ফেরালে তার আঙুল কেটে যায় সেই মুহুর্তে জালান, শেফালী এবং আমি রবিউলের কাছ থেকে ইকবালকে মুক্ত করে বুড়িচং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে রাত আনুমানিক ১২.০০ ঘটিকায় ভর্তি করাই তার ভর্তি রেঃজিঃ নং-৩১৮৯।

এই ঘটনার সময় নারায়ানগঞ্জে দায়িত্বরত পুলিশের এসআই আমার বড় ভাসুর মোঃ আলিম ৯৯৯ ফোন দিলে বুড়িচং থানার অধীন দেবপুর পুলিশ ফাঁড়ি থেকে বাড়িতে পুলিশ আসে। পুলিশ এসে আমার স্বামী ইকবালকে মারধরের বিষয়টি জানতে পারে এবং আমাদের মেঝেতে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ইকবালের রক্ত ও রক্তমাখা কাপড়-চোপড় দেখতে পায়। চিকিৎসা শেষে পরদিন আমার স্বামী হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে বাড়িতে আসে।
পরে আমার স্বামীর বড় ভাই আমার ভাসুর নারায়নগঞ্জ পুলিশে কর্মরত এসআই মোঃ আলিম আমাদেরকে সহ সকলকে শান্ত থাকতে বলেন এবং আত্মীয়-স্বজনের উপস্থিতিতে বিষয়টি পারিবারিকভাবে মিমাংসা করে দেবেন বলে জানান। এতে পরিবারের মুরব্বী আমার ভাসুর এসআই মোঃ আলিমের প্রতিও ক্ষুব্ধ হন মান্নান তার স্ত্রী শিল্পি বেগম ও ছেলে রবিউল হাছান জানিয়ে দেন যে, আমার স্বামীর অংশ অর্থাৎ ৬ শতক ভূমি বাড়ি করার জন্য তাদেরকে না দিলে তারা কোন মিমাংসায় বসবে না।

পরদিন ৩ জুন তারিখে রাত আনুমানিক ৯টার দিকে আমাদের নিজ বাড়ীতে মান্নান ও জালাল এর ব্যবসার পাওনা টাকা ও জমি সংক্রান্ত বিষয় কথা কাটাকাটির এক পর্যায় মান্নানের স্ত্রী শিল্পী আক্তার, ও পুত্র রবিউল কল করে অপরিচিত লোকজন সহ সাদা পোশাকে থাকা পুলিশ পরিচয় দানকারী এনে আমার ঘরে ঢুকে জালাল ও আমার স্বামী ইকবাল’কে পেয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ সহ মান্নানের সামনে জালাল এবং ইকবালকে অতর্কিত ভাবে হামলা চালায়, জালাল অপরিচিত লোকজনকে জিজ্ঞাসা করে আমাদেরকে এভাবে মারতেছেন কেন? আমার ভাই পুলিশের এসআই মোঃ আলিমের সাথে মোবাইলে কথা বলতে বলায় মা বাবা তুলে খারাপ ও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং মোবাইল রাখ বলে মোবাইল কেড়ে নিয়ে মাটিতে ফেলে দিয়ে আরো মারধর করে।
এই হামলায় আমার স্বামী ইকবাল, জালাল ও আমাদের উপর হামলা করতে আসা একজন অপরিচিত লোকও রাতের আধারে মান্নানের আঘাতে ভুলক্রমে জখম হয় । আমার স্বামী ইকবাল ও জালালকে মেরে অচেতন করে মান্নান, তার স্ত্রী শিল্পি আক্তার ও পুত্র রবিউল এবং তাদের সাথে আসা অপরিচিত হামলাকারীরা চলে যায়। পরে আমার স্বামী আহত ইকবাল ও জালালসহ আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

তিনি আরো জানান এরপর একই তারিখ রাত প্রায় ১২ টার দিকে সাইরেন/বাঁশি বাজিয়ে বুড়িচং থানার ওসি মোঃ লুৎফর রহমান এবং বুড়িচং থানাধীন দেবপুর ফুলিশ ফাঁড়ির আইসি ইন্সপেক্টর সুরেজিত বড়ুয়ার নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল আমাদের বাড়িতে এসে ঘরের দরজায় জোড়ে জোড়ে আঘাত করে দরজা খুলতে বলে। আমি দরজা খুলে দিলে জোরপূর্বক ঘরে প্রবেশ করে এবং আমার স্বামী ইকবাল ও জালালকে না পেয়ে আমাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। পরে কোন মামলা, অভিযোগ, গ্রেফতারী পরোয়ানা ও নোটিশ ছাড়া পুলিশ ভয়-ভীতি দেখিয়ে আমার ননদ শেফালী আক্তার’কে অন্য ঘর থেকে এবং আমার দুই শিশু কন্যা মিম (১), মরিয়ম আক্তার (৩) সহ আমাকে কোন মহিলা পুলিশ ছাড়া টেনেহিচড়ে চরথাপ্পর মারতে মারতে পুলিশের গাড়িতে উঠিয়ে নিয়ে যায়। আমাদের সাথে পুলিশ মান্নান ও তার পুত্র রবিউলকে গাড়িতে তুলে নিয়ে কিছুক্ষন পর তাদেরকে ছেড়ে দিলেও দুই শিশুসন্তানসহ আমাদেরকে সারারাত গাড়িতে করে ঘুরায় এবং আমাদের বলে যে, আমরা পুলিশের উপর হামলা করেছি। এসময় পুলিশের অশালীন ও বাজে আচরণ এবং এসব কথায় শেফালী ও আমি ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পড়ি। ভারতের বর্ডার এলাকাসহ বিভিন্ন জায়গায় সারারাত ঘুরিয়ে ভোর প্রায় ০৫.০০ ঘটিকায় আমাদের থানায় নিয়ে যায়। থানায় নেয়ার পর পুলিশ যা বলতে বলে তা স্বীকার করতে ও যে সকল কাগজপত্র দেবে তাতে স্বাক্ষর করতে বলে কয়েকটি সাদা কাগজে স্বাক্ষর করিয়ে নেয়। ভয়-ভীতি দেখিয়ে শেফালী ও আমার কাছ থেকে মোবাইল ফোন, এনআইডি কার্ড ও কিছু মূল্যবান কাগজপত্র নিয়ে যায় পুলিশ।

থানায় নেয়ার পর শেফালী ও আমাকে বুড়িচং থানার ওসি মোঃ লুৎফর রহমান এবং বুড়িচং থানাধীন দেবপুর ফুলিশ ফাঁড়ির আইসি ইন্সপেক্টর সুরেজিত বড়ুয়া জানান, ইকবাল ও জালালকে থানায় আনতে পারলে তোদেরকে ছেড়ে দেবো। তখন আমরা বলি যে, আমরা তো কেউ কোন অপরাধ করিনি আমরা তাদেরকে কেন ডেকে এনে ধরিয়ে দিবো। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে পুলিশের উপর হামলার অভিযোগে দেবপুর পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত এএস আই ফরহাদ মিয়াকে বাদী করে আমাদের বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন যার মামলা নং-৮, বুড়িচং থানার ওসি মোঃ লুৎফর রহমান এবং বুড়িচং থানাধীন দেবপুর ফুলিশ ফাঁড়ির আইসি ইন্সপেক্টর সুরেজিত বড়ুয়া এবং এই মামলায় আমাদের আসামী করে জেলহাজতে পাঠাতে বলে। পরে শেফালী বেগম ও আমাকে দুই শিশুসহ পর দিন ৪ জুন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রায় ৫টায় কুমিল্লার আদালতে চালান দেয়। দুই শিশুর মা আমি হলেও এক শিশুকে শেফালীর বলে মিথ্যা তথ্য উল্লেখ করে। বৃহস্পতিবার যাতে আমাদের জন্য জামিন আবেদনের কোন সুযোগ না থাকে এজন্য ওইদিন সন্ধ্যায় আমাদের আদালতে চালান দেওয়া হয়। আমাদের আটকের পর থেকে আদালতে আনা পর্যন্ত এই দীর্ঘ সময় দুই শিশুসহ শেফালী বেগম ও আমাকে কোন খাবার ও চিকিৎসা থানায় দেওয়া হয়নি। প্রচন্ড গরমে অভুক্ত দুই শিশুসহ আমরা পুলিশের মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনে অসুস্থ হয়ে পড়ি। প্রায় ১০ (দশ) দিন কারাভোগের পর কুমিল্লা কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর অসুস্থ দুই শিশুসন্তানসহ চিকিৎসার জন্য আত্মীয়স্বজনরা কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আমাদেরকে ভর্তি করেন।

আমরা জামিনে বের হওয়ার পর এএসআই ফরহাদ মিয়ার দায়ের করা মামলার কাগজপত্রে দেখতে পাই যে, ৩ জুন রাতে হামলাকারী অপরিচিত এবং সিভিল পোষাকের ৩ জন লোক পুলিশের সদস্য ছিলেন। মোঃ আলিম পুলিশের এসআই পদে কর্মরত থাকার বিষয়টি বুড়িচং থানা ও দেবপুর পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ নিশ্চিত হওয়ার পরও এজাহারের ভেতরের বর্ণনায় রহস্যজনকভাবে ‘মোঃ আলিম’ নামটি জড়িয়ে দিয়ে ওসি ধাম্ভিকতার সহিত বলে যে, এস আই আলিমকে টেনে হেচড়ে বুড়িচং থানায় এনে মামলা দিয়ে হাজত বাস করে চাকুরীচ্যুৎ করাব এমনকি বুড়িচং থানার ওসি মোঃ লুৎফর রহমান এবং বুড়িচং থানাধীন দেবপুর ফুলিশ ফাঁড়ির আইসি ইন্সপেক্টর সুরেজিত বড়ুয়া এস আইআলিমের উর্ধতন কর্মকর্তার নিকট আলিমকে বুড়িচং থানায় পাঠানোর জন্য ফোন করে।

লিজা আক্তার বলেন এএসআই ফরহাদ মিয়া অতি উৎসাহী হয়ে নিজে বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেছেন, আমরা বিভিন্ন সূত্রে জানতে পেরেছি যে, মান্নানের স্ত্রী শিল্পী আক্তার ও পুত্র রবিউল উল্লেখিত পুলিশ কর্মকর্তাগনকে মোটা অংকের অর্থ দিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করিয়েছেন।

আমাদের পারিবারিক সমস্যাকে কেন্দ্র করে পুলিশকে প্রতিপক্ষ হিসেবে দাড় করানোর চক্রান্ত করছে মান্নান ও তার স্ত্রী শিল্পী আক্তার ফলে পুলিশ প্রশাসন ও বিভিন্ন মহলে এবং স্থানীয়ভাবে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করা হয়েছে। পুলিশের অপেশাদার, পক্ষপাতিত্বমূলক ও আইন বহির্ভূত কর্মকান্ডে আমাদের সম্মান ও সামাজিক মর্যাদা ক্ষুন্ন হয়েছে।

এ বিষয়ে ঘটনার সত্যতা জানতে বুড়িচং থানার ওসি লুৎফর রহমান এর সাথে মোঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন আনিত অভিযোগ মিথ্যা এবন সাজানো তাদের পারিবারিক দন্ধ নিরসনে ৯৯৯ এ ফোন কল পেয়ে প্রথম দিন এবং ২য় দিন তাদের বাসায় পুলিশ গিয়েছে ২য় দিনে তারা যখন রক্তক্ষয়ী সংগরষে জরিয়ে পরার পরিস্থিতি তৈরী হলে পুলিশ তাদের শান্ত হতে বলে উভয় পক্ষকে আলাদা হতে বলে এই অবস্থায় একজন পুলিশ সদস্য কে তারা কুপিয়ে জখম করেছে।এই ঘটনায় থানায় একটি মামলা হয়েছে।

দেবপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সুরেজিত বড়ুয়ার এর সাথে মোঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনিও একই কথা বলেন।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © তথ্যানুসন্ধান ২০২৫
Theme Customized By Shakil IT Park