1. admin@dailytathyanusandhan.com : admin :
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মেঘনায় ১১ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিরাপদ বিশুদ্ধকরন পানির ফিল্টার বিতরণ দেবিদ্বারে স্ত্রীর মর্যাদা ও সন্তানের স্বীকৃতির দাবিতে প্রবাসীর বাড়িতে এক নারীর অবস্থান মাদক কারবারিরা সমাজের সবচেয়ে বড় শত্রু, এদের আইনের হাতে তুলে দিন : ইউএনও অশোক বিক্রম চাকমা সাংবাদিক জনি ফারুককে হেয়প্রতিপন্ন করতে ভিত্তিহীন ভুয়া সংবাদপত্রের কাটিং বানিয়ে অপপ্রচার, তীব্র প্রতিবাদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মাদক সেবীদের ডোপ টেস্টের ব্যবস্থা করা হবে কোটচাঁদপুর আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় এমপি,মতিয়ার রহমান সরকার নাগরিকদের অধিকার রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : আইনমন্ত্রী হলফনামায় ভুয়া সনদ দাখিলের অভিযোগ এমপি নয়নের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জে আওয়ামীলীগের রাজনীতি চাঙ্গা করতে মামা ভাগ্নের নীল নকশা সালনা ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার অভিভাবকদের মত বিনিময় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত. আইনশৃঙ্খলা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ঝিনাইদহ জেলার শ্রেষ্ঠ থানা মহেশপুর

মেঘনায় ভুয়া খারিজের দৌরাত্ম্য বৃদ্ধি, দালালের বিরুদ্ধে অভিযোগ!

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১০৭ বার পঠিত

কুমিল্লা (মেঘনা) প্রতিনিধিঃ- কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় ভুয়া খারিজ (নামজারি) সংক্রান্ত প্রতারণার ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বেড়ে চলেছে। অভিযোগ উঠেছে, এক শ্রেণির ভূমি দালাল অতিরিক্ত টাকা নিয়ে ভুয়া খারিজ তৈরি করে সাধারণ মানুষকে প্রতারিত করছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুয়া খারিজ শনাক্ত করার সহজ ও কার্যকর কোনো পদ্ধতি না থাকায় অনেকেই প্রতারণার শিকার হচ্ছেন। তবে অনলাইনে যাচাই করলে আসল ও নকল খারিজের পার্থক্য বোঝা সম্ভব।
সম্প্রতি দড়িমির্জানগর গ্রামের আলতাফ হোসেনের ছেলে মোসলেম মিয়ার নামে একটি খারিজে অনিয়ম ধরা পড়ে। খারিজে দাগ ও খতিয়ান নম্বর সঠিক থাকলেও সংশ্লিষ্ট ভূমি কর্মকর্তার নাম ও স্বাক্ষর ভুয়া বলে জানা গেছে। খারিজে সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে ‘ইয়াসমিন সুলতানা’ নাম উল্লেখ থাকলেও মেঘনা উপজেলা ভূমি অফিসে এই নামে কখনো কোনো কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করেননি বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

অভিযোগের অনুসন্ধানে জানা যায়, শেখেরগাঁও গ্রামের আল-আমিন মুক্তারের সহকারী মাহাবুব হোসেন এই ভুয়া খারিজ তৈরির সঙ্গে জড়িত।
ভুক্তভোগী মোসলেম মিয়া জানান, খারিজ করার নিয়ম না জানায় তিনি বড় লক্ষ্মীপুর মৌজার ৩৩ শতক জমির নামজারির জন্য মাহাবুব হোসেনের শরণাপন্ন হন। এ প্রক্রিয়ায় কয়েক দফায় তার কাছ থেকে মোট ৪৫ হাজার টাকা নেওয়া হয়। চার মাস পর প্রাপ্ত খারিজে প্রথমে কিছু অসঙ্গতি চোখে পড়লেও পরে অনলাইনে যাচাই করে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, পুরো খারিজটিই ভুয়া।
ভুয়া খারিজে খতিয়ান নম্বর ২৬-৪৪৫৬ এবং দাগ নম্বর ৫৪৮৪, ৫৪৮৫ ও ৫২৭১ উল্লেখ রয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি বলেন, “ভূমি অফিসে সরাসরি গেলে সাধারণ মানুষকে নানা হয়রানির শিকার হতে হয়। কিন্তু দালালের মাধ্যমে গেলে দ্রুত কাজ হয়ে যায়। তাই বাধ্য হয়ে অনেকেই দালালের শরণাপন্ন হন।” তিনি এ বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

অভিযুক্ত মাহাবুব হোসেন প্রথমে বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও পরে নিজের ভুল স্বীকার করে ভবিষ্যতে এমন কাজ আর করবেন না বলে জানান।

এ বিষয়ে মেঘনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মৌসুমী আক্তার বলেন, “ভুয়া খারিজের বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এদিকে এলাকাবাসী দ্রুত এ ধরনের প্রতারণার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি জমির মালিকদের অনলাইনে খারিজ যাচাই করে নিশ্চিত হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © তথ্যানুসন্ধান ২০২৫
Theme Customized By Shakil IT Park