
নজরুল ইসলাম(নিজস্ব প্রতিবেদক) যশোর: যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করার ঘটনায় মামলা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। মামলার মূল আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রক্টর ওমর ফারুক বাদি হয়ে মামলাটি করেছেন বলে জানিয়েছেন যশোর কোতয়ালি থানার এসআই দেবাশীষ হালদার।মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে শিক্ষার্থীরা ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস মেরামতের কাজে যশোর সদরের আমবটতলা এলাকার ‘মোনায়েম টেলিকমে’ যান।দোকানে ভিড় থাকার কারণে শিক্ষার্থীরা নিজেরাই ডিভাইস খোলার চেষ্টা করলে একজন ছাত্রীর হাত সামান্য কেটে যায়। এ সময় দোকানি মোনায়েম তার হাত স্পর্শ করেন, বিব্রত হয়ে ছাত্রী তার হাত সরিয়ে নেন।তখন ছাত্রীরা দোকানীর আচরণের প্রতিবাদ জানালে তিনি ‘ঔষধ লাগানোর চেষ্টা’ করার অজুহাত দেন। পরে দোকান থেকে বের হয়ে যাওয়ার সময় মোনায়েম ছাত্রীদের উদ্দেশে অশ্লীল কথা বলেন।ছাত্রীরা বিষয়টি তাদের সহপাঠীদের জানালে রাইয়ানুল ইসলাম, মেহনাজ মুনিব তন্ময়, আব্দুল্লাহ আল জোবের, সাব্বির আহম্মেদ, ইয়াছিন আরাফাত শেখ, রাতুল হাসানসহ অন্যান্য শিক্ষার্থীরা সে দোকানে যান। তখন মোনায়েম তাদের হুমকি দিয়ে পালিয়ে যান বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।
ছাত্রীকে উক্ত্যক্ত করার এ ঘটনার জেরে রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয়দের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে।
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়ে প্রায় ২৭ জন শিক্ষার্থী, তিন সাংবাদিক ছাড়াও কয়েকজন শিক্ষক-কর্মকর্তা আহত হন।
গুরুতরভাবে জখম হন আইপিই বিভাগের রোহান, গণিত বিভাগের তানজিল আল ফাহিম, ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী আহাদ সৈকত।