1. admin@dailytathyanusandhan.com : admin :
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মেঘনায় ১১ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিরাপদ বিশুদ্ধকরন পানির ফিল্টার বিতরণ দেবিদ্বারে স্ত্রীর মর্যাদা ও সন্তানের স্বীকৃতির দাবিতে প্রবাসীর বাড়িতে এক নারীর অবস্থান মাদক কারবারিরা সমাজের সবচেয়ে বড় শত্রু, এদের আইনের হাতে তুলে দিন : ইউএনও অশোক বিক্রম চাকমা সাংবাদিক জনি ফারুককে হেয়প্রতিপন্ন করতে ভিত্তিহীন ভুয়া সংবাদপত্রের কাটিং বানিয়ে অপপ্রচার, তীব্র প্রতিবাদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মাদক সেবীদের ডোপ টেস্টের ব্যবস্থা করা হবে কোটচাঁদপুর আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় এমপি,মতিয়ার রহমান সরকার নাগরিকদের অধিকার রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : আইনমন্ত্রী হলফনামায় ভুয়া সনদ দাখিলের অভিযোগ এমপি নয়নের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জে আওয়ামীলীগের রাজনীতি চাঙ্গা করতে মামা ভাগ্নের নীল নকশা সালনা ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার অভিভাবকদের মত বিনিময় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত. আইনশৃঙ্খলা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ঝিনাইদহ জেলার শ্রেষ্ঠ থানা মহেশপুর

সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগে ইউপি সদস্য লাঞ্ছিত

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৪ মে, ২০২৬
  • ৬৬ বার পঠিত

স্টাফ রিপোর্টারঃ সাতক্ষীরার কালিগঞ্জের বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাবেক বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে খাদ্য বান্ধব কার্ড দেয়ার নামে টাকা আত্মসাতের মিথ্যা অভিযোগের ইন্ধনদাতা ইউপি সদস্য ও যুবলীগ নেতাকে জনতা ধরে বাজারে প্রকাশ্যে লাঞ্ছিত করার ঘটনা ঘটেছে।
সোমবার (৪ মে) সকাল ৯ টার দিকে সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলার বাঁশতলা বাজারে এ ঘটনা ঘটে। আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জাহাঙ্গীর আলমকে ধরাশায়ী করতে সম্ভাব্য প্রার্থী ইউপি সদস্য সিরাজুল ইসলাম তার আপন চাচাতো ভাইকে দিয়ে মিথ্যা অভিযোগের প্রেক্ষিতে এ ঘটনা ঘটে। এ ব্যাপারে সত্যতা জানার জন্য বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সভাপতি ও ইউপি সদস্য সিরাজুল ইসলামের ব্যবহারিত ০১৭৪৬৬৬২৩৯৮ নাংম্বারে একাধিকবার ফোন দিলে বন্ধ পাওয়া যায়। অভিযোগকারী বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সিরাজুল ইসলামের আপন চাচাতো ভাই শ্রীরামপুর গ্রামের শেখ আব্দুল মজিদের পুত্র অভিযোগকারী মাসুম বিল্লাহর ব্যবহৃত ০১৭৪২৬৭৮২৩৯ নাংম্বারে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ধরেননি। তবে খাদ্য বান্ধব ডিলার রেহেনা খাতুনের স্বামী আশরাফ হোসেনের সঙ্গে কথোপকথনের রেকর্ডের সূত্রে জানা যায় অভিযোগের বিষয়ে অভিযোগকারী মাসুম বিল্লাহ কিছুই জানে না । ইউপি সদস্য সিরাজুল ইসলাম তাকে দিয়ে সই করিয়ে নিয়ে গেছে। এ ব্যাপারে বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নং ওয়ার্ডের গ্রাম্য পুলিশ ইউপি সদস্যের আপন চাচাতো ভাই রেজা উদ্দিন সাংবাদিকদের এক ভিডিও বার্তায় জানান খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির আওতায় কার্ড করার জন্য কার্ড ধারীদের নিকট থেকে কম্পিউটার খরচ বাবদ ইউপি সদস্য সিরাজুল ইসলাম প্রত্যেকে কার্ড ধারির নিকট থেকে ১০০ টাকা করে উঠাতে বলে। আমি সেই মোতাবেক আমার ওয়ার্ডের ৮৫ জন খাদ্য বান্ধব কার্ড ধারির নিকট থেকে ৮,৫০০ টাকা উঠিয়ে সিরাজুল ইসলামের নিকট জমা দেই। পরবর্তীতে ইউপি সদস্য সিরাজুল ইসলাম উক্ত টাকা চেয়ারম্যান উঠাতে বলেছে বলে তার নামে মিথ্যা অভিযোগ করতে বলায় আমি অপ্রগতা প্রকাশ করি। আমি রাজি না হওয়ায় চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলমকে হেও করার জন্য তার অপর ভাই মাসুম বিল্লাহ কে দিয়ে উপজেলা খাদ্য অফিসে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেছে। এ ব্যাপারে বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলমের নিকট জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের জানান এই সমস্ত বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা এবং আমি খাদ্যবান্ধব কার্ডের জন্য কোন ইউপি সদস্য বা গ্রাম্য পুলিশদের টাকা উঠানোর জন্য বলেনি। অথচ যুবলীগ নেতা, মেম্বার সিরাজুল ইসলাম তার আপন চাচাতো ভাইকে দিয়ে আমাকে হেয় ও হয়রানি করার জন্য মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেছে। মেম্বার সিরাজুল ইসলাম বিগত আওয়ামী সরকার ক্ষমতায় থাকতে বহু লোকের উপর অন্যায়, অত্যাচার, জুলুম ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি, জেল খাটিয়েছে। আমি বিষয়টি ওসি সাহেবকে জানিয়ে ইউনিয়নের শান্তি, শৃঙ্খলা রক্ষার্থে তাকে গ্রেফতারের জন্য দাবি জানিয়েছি। গত ২৭ এপ্রিল উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা বরাবর মাসুম বিল্লাহর অভিযোগের সুত্র থেকে জানা যায় হত দরিদ্র হওয়ায় সরকারের খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির রেশন কার্ড প্রদান করায় আমার ৯০৩ নং কার্ডে চাউল পেয়ে আসছি। সম্প্রতি বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম ৬ নং ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ শেখ রেজাউদ্দিন ডিলার পরিবর্তন হওয়ার কারণে নতুন কার্ডের জন্য প্রত্যেকের নিকট থেকে একশত করে টাকা গ্রহণ করেছে। আমি খোঁজ নিয়ে জানতে পারি ডিলার পরিবর্তন হওয়ার কারণে নতুন কার্ড প্রদান করে জনপ্রতি একশত টাকা করে সর্বমোট ১ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯১৬ টাকা গ্রহণ করেছে। জিজ্ঞাসা করলে তারা বলে চেয়ারম্যান উক্ত টাকা নিতে বলেছে। আমার জানা মতে কার্ড নিতে কোন টাকা লাগে না। চেয়ারম্যান ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ দিয়ে ১৬৬৯ জন কার্ড ধারির নিকট থেকে প্রতারণা করে টাকা তুলে আত্মসাৎ করেছে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © তথ্যানুসন্ধান ২০২৫
Theme Customized By Shakil IT Park