1. admin@dailytathyanusandhan.com : admin :
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৩২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মেঘনায় ১১ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিরাপদ বিশুদ্ধকরন পানির ফিল্টার বিতরণ দেবিদ্বারে স্ত্রীর মর্যাদা ও সন্তানের স্বীকৃতির দাবিতে প্রবাসীর বাড়িতে এক নারীর অবস্থান মাদক কারবারিরা সমাজের সবচেয়ে বড় শত্রু, এদের আইনের হাতে তুলে দিন : ইউএনও অশোক বিক্রম চাকমা সাংবাদিক জনি ফারুককে হেয়প্রতিপন্ন করতে ভিত্তিহীন ভুয়া সংবাদপত্রের কাটিং বানিয়ে অপপ্রচার, তীব্র প্রতিবাদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মাদক সেবীদের ডোপ টেস্টের ব্যবস্থা করা হবে কোটচাঁদপুর আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় এমপি,মতিয়ার রহমান সরকার নাগরিকদের অধিকার রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : আইনমন্ত্রী হলফনামায় ভুয়া সনদ দাখিলের অভিযোগ এমপি নয়নের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জে আওয়ামীলীগের রাজনীতি চাঙ্গা করতে মামা ভাগ্নের নীল নকশা সালনা ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার অভিভাবকদের মত বিনিময় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত. আইনশৃঙ্খলা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ঝিনাইদহ জেলার শ্রেষ্ঠ থানা মহেশপুর

শ্রীপুরে ৬ লাখ টাকার দেনমোহর ২০ লাখ করার অপচেষ্টায় অভিযোক্ত কাজী বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬
  • ৭৫ বার পঠিত

শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি: গাজীপুরের শ্রীপুরে মো. রাসেল মিয়া নামে এক যুবককে বাড়িতে ডেকে নিয়ে তিন দিন আটকে রেখে মারধর, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং জোরপূর্বক সাদা কাগজ ও খালি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর ও টিপসই নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে বিয়ের সময় নির্ধারিত ৬ লাখ টাকা দেনমোহরের কাবিননামা পরিবর্তন করে ২০ লাখ টাকা করার অপচেষ্টার অভিযোগও করেছেন তিনি।

এ ঘটনায় রাসেল মিয়া বাদী হয়ে পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে শ্রীপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগে অভিযুক্তরা হলেন—রাসেল মিয়ার স্ত্রী মোছা. মাকসুদা আক্তার (৩২), কাজী মো. মুহি উদ্দিন (৪৮), মো. আল আমিন মৃধা (৪০), মো. আলমগীর মৃধা (৩৬) ও মো. রনি মৃধা (৩৬)। তারা সবাই শ্রীপুর উপজেলার টেপিরবাড়ী এলাকার বাসিন্দা বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের ৩ জুলাই উপজেলার টেংরা এলাকার মৃত মাইনউদ্দীনের ছেলে মো. রাসেল মিয়ার সঙ্গে মোছা. মাকসুদা আক্তারের দ্বিতীয় বিয়ে হয়। বিয়ের সময় দেনমোহর হিসেবে ৬ লাখ টাকা নির্ধারণ করে কাবিননামা রেজিস্ট্রি করা হয়।

রাসেল মিয়ার অভিযোগ, গত ১১ আগস্ট অভিযুক্তরা পরস্পর যোগসাজশে তাকে তাদের বাড়িতে ডেকে নেন। পরে একটি কক্ষে তাকে টানা তিন দিন আটকে রেখে মারধর ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়। একপর্যায়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে সাদা কাগজ ও খালি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর ও টিপসই নেওয়া হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, একইভাবে রাসেল মিয়ার মায়ের ওপরও চাপ সৃষ্টি করে সাদা কাগজ ও স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর-টিপসই নেওয়া হয়েছে।

রাসেল মিয়ার দাবি, স্থানীয় কাজীর সঙ্গে যোগসাজশ করে পূর্বে নির্ধারিত ৬ লাখ টাকা দেনমোহরের কাবিননামা পরিবর্তন করে ২০ লাখ টাকা করার চেষ্টা করা হয়েছে। জোরপূর্বক নেওয়া স্বাক্ষর ও টিপসই ব্যবহার করে ভবিষ্যতে মিথ্যা বা মনগড়া কাগজপত্র তৈরি করা হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি।

রাসেল মিয়া বলেন, “আমাকে তিন দিন ঘরে আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে। পরে মিথ্যা দলিল তৈরির উদ্দেশ্যে আমার ও আমার মায়ের কাছ থেকে খালি স্ট্যাম্প ও সাদা কাগজে স্বাক্ষর-টিপসই নেওয়া হয়েছে। কাজীর মাধ্যমে আমার কাবিননামার ৬ লাখ টাকা থেকে ২০ লাখ টাকা করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে। আমি সুষ্ঠু তদন্ত ও সুবিচারের আশায় থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।”

অভিযোগের বিষয়ে কাজী মো. মুহি উদ্দিন বলেন, “রাসেল ও মাকসুদাকে বিয়ের জন্য আমার কাছে নিয়ে আসা হয়েছিল। আমি ওই দম্পতির বিয়ে পড়িয়েছি।”

তবে কাবিননামার দেনমোহর ৬ লাখ টাকা থেকে ২০ লাখ টাকা করার চেষ্টা এবং জোরপূর্বক স্বাক্ষর-টিপসই নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্তরা।

এ বিষয়ে শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহিনুর আলম বলেন, “অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ভুক্তভোগী রাসেল মিয়া ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, জোরপূর্বক নেওয়া স্বাক্ষর ও টিপসইয়ের অপব্যবহার রোধ এবং অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © তথ্যানুসন্ধান ২০২৫
Theme Customized By Shakil IT Park