1. admin@dailytathyanusandhan.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৪৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে রাতের আঁধারে সড়ক কার্পেটিং, দেবিদ্বারে কাজ বন্ধ শিক্ষা ও জ্ঞানার্জনে সমাজের অন্ধকার দূর করার শপথ নিতে হবে:….. দেবিদ্বারে ইউএনও অশোক বিক্রম চাকমা শ্রীপুরে যুবদল নেতাকে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে মোটা অঙ্কের টাকা দাবির অডিও রেকর্ড রয়েছে যশোর বেনাপোলে ট্রাভেল পারমিটে ভারত থেকে দেশে ফিরলেন ১০ নারী সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে দেবিদ্বারে আইইএস জাতীয় মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত নগরঘাটায় ৮ দলীয় নকআউট ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচ অনুষ্ঠিত গাজীপুরের কাপাসিয়ায় আলী হোসেনের ওপর হামলার ঘটনায় রফিকুল ও টিপুসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা শ্রীপুরে বিএনপির নেতা মোশাররফ সরকারের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচারের প্রতিবাদ সংবাদ সম্মেলন যশোরে লংমার্চ সফলে শহরে জামায়াতের গণমিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ সাতক্ষীরায় এডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণের দাবিতে আইনজীবীদের মানববন্ধন

শ্রীপুরে ৬ লাখ টাকার দেনমোহর ২০ লাখ করার অপচেষ্টায় অভিযোক্ত কাজী বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬
  • ৯৩ বার পঠিত

শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি: গাজীপুরের শ্রীপুরে মো. রাসেল মিয়া নামে এক যুবককে বাড়িতে ডেকে নিয়ে তিন দিন আটকে রেখে মারধর, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং জোরপূর্বক সাদা কাগজ ও খালি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর ও টিপসই নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে বিয়ের সময় নির্ধারিত ৬ লাখ টাকা দেনমোহরের কাবিননামা পরিবর্তন করে ২০ লাখ টাকা করার অপচেষ্টার অভিযোগও করেছেন তিনি।

এ ঘটনায় রাসেল মিয়া বাদী হয়ে পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে শ্রীপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগে অভিযুক্তরা হলেন—রাসেল মিয়ার স্ত্রী মোছা. মাকসুদা আক্তার (৩২), কাজী মো. মুহি উদ্দিন (৪৮), মো. আল আমিন মৃধা (৪০), মো. আলমগীর মৃধা (৩৬) ও মো. রনি মৃধা (৩৬)। তারা সবাই শ্রীপুর উপজেলার টেপিরবাড়ী এলাকার বাসিন্দা বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের ৩ জুলাই উপজেলার টেংরা এলাকার মৃত মাইনউদ্দীনের ছেলে মো. রাসেল মিয়ার সঙ্গে মোছা. মাকসুদা আক্তারের দ্বিতীয় বিয়ে হয়। বিয়ের সময় দেনমোহর হিসেবে ৬ লাখ টাকা নির্ধারণ করে কাবিননামা রেজিস্ট্রি করা হয়।

রাসেল মিয়ার অভিযোগ, গত ১১ আগস্ট অভিযুক্তরা পরস্পর যোগসাজশে তাকে তাদের বাড়িতে ডেকে নেন। পরে একটি কক্ষে তাকে টানা তিন দিন আটকে রেখে মারধর ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়। একপর্যায়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে সাদা কাগজ ও খালি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর ও টিপসই নেওয়া হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, একইভাবে রাসেল মিয়ার মায়ের ওপরও চাপ সৃষ্টি করে সাদা কাগজ ও স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর-টিপসই নেওয়া হয়েছে।

রাসেল মিয়ার দাবি, স্থানীয় কাজীর সঙ্গে যোগসাজশ করে পূর্বে নির্ধারিত ৬ লাখ টাকা দেনমোহরের কাবিননামা পরিবর্তন করে ২০ লাখ টাকা করার চেষ্টা করা হয়েছে। জোরপূর্বক নেওয়া স্বাক্ষর ও টিপসই ব্যবহার করে ভবিষ্যতে মিথ্যা বা মনগড়া কাগজপত্র তৈরি করা হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি।

রাসেল মিয়া বলেন, “আমাকে তিন দিন ঘরে আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে। পরে মিথ্যা দলিল তৈরির উদ্দেশ্যে আমার ও আমার মায়ের কাছ থেকে খালি স্ট্যাম্প ও সাদা কাগজে স্বাক্ষর-টিপসই নেওয়া হয়েছে। কাজীর মাধ্যমে আমার কাবিননামার ৬ লাখ টাকা থেকে ২০ লাখ টাকা করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে। আমি সুষ্ঠু তদন্ত ও সুবিচারের আশায় থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।”

অভিযোগের বিষয়ে কাজী মো. মুহি উদ্দিন বলেন, “রাসেল ও মাকসুদাকে বিয়ের জন্য আমার কাছে নিয়ে আসা হয়েছিল। আমি ওই দম্পতির বিয়ে পড়িয়েছি।”

তবে কাবিননামার দেনমোহর ৬ লাখ টাকা থেকে ২০ লাখ টাকা করার চেষ্টা এবং জোরপূর্বক স্বাক্ষর-টিপসই নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্তরা।

এ বিষয়ে শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহিনুর আলম বলেন, “অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ভুক্তভোগী রাসেল মিয়া ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, জোরপূর্বক নেওয়া স্বাক্ষর ও টিপসইয়ের অপব্যবহার রোধ এবং অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © তথ্যানুসন্ধান ২০২৫
Theme Customized By Shakil IT Park