
স্টাফ রিপোর্টারঃ গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার কেওয়া নতুন বাজার এলাকায় সেলুন ব্যবসায়ী সুফল চন্দ্র শীলের দায়ের করা অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত নুর উদ্দিন, সাগর, রহিমা খাতুন, তানভীর ও মোশারফ।
বিবাদীপক্ষের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস ও ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন তারা। ব্যক্তিগত ও আর্থিক বিরোধের জের ধরে তাদের সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করতে এবং আইনি হয়রানির উদ্দেশ্যে এ ধরনের অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে।
তারা আরও দাবি করেন, বাদীপক্ষ পূর্বে তাদের কাছ থেকে প্রায় ৮ লাখ টাকা গ্রহণ করেছেন, যা এখনো পরিশোধ করেননি। শুধু তাই নয়, স্থানীয় বিভিন্ন দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৩ লাখ ৮৬ হাজার টাকারও বেশি বকেয়া রেখে এলাকা ত্যাগের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেন বিবাদীপক্ষ।
বিবাদীদের ভাষ্য, পাওনাদারদের চাপ এবং আর্থিক দায়বদ্ধতা এড়ানোর উদ্দেশ্যেই বিভিন্ন ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনে সহানুভূতি আদায়ের চেষ্টা করা হচ্ছে। তারা বলেন, স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগ ন েওয়া হলেও পরবর্তীতে ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করা হয়েছে।
বিবাদীপক্ষ আরও দাবি করেন, অভিযোগে উল্লেখিত হামলা, লুটপাট, শ্লীলতাহানি, গর্ভের সন্তান নষ্ট ও প্রাণনাশের হুমকির মতো ঘটনাগুলোর সঙ্গে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের জন্য তারা প্রশাসনের কাছে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
তারা বলেন, তদন্তের মাধ্যমে সকল আর্থিক লেনদেন, স্থানীয় বিরোধ এবং উভয় পক্ষের বক্তব্য যাচাই করা হলে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে। তারা আইন ও বিচার ব্যবস্থার প্রতি পূর্ণ আস্থা রেখে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেন।
এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযোগটি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত শেষে প্রাপ্ত তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উল্লেখ্য, প্রতিবেদনে উল্লিখিত ৮ লাখ টাকা গ্রহণ, ৩ লাখ ৮৬ হাজার টাকা বকেয়া এবং অন্যান্য বিষয়সমূহ বিবাদীপক্ষের দাবি। এসব দাবির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি এবং বিষয়গুলো তদন্তাধীন রয়েছে।