1. admin@dailytathyanusandhan.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৪১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে রাতের আঁধারে সড়ক কার্পেটিং, দেবিদ্বারে কাজ বন্ধ শিক্ষা ও জ্ঞানার্জনে সমাজের অন্ধকার দূর করার শপথ নিতে হবে:….. দেবিদ্বারে ইউএনও অশোক বিক্রম চাকমা শ্রীপুরে যুবদল নেতাকে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে মোটা অঙ্কের টাকা দাবির অডিও রেকর্ড রয়েছে যশোর বেনাপোলে ট্রাভেল পারমিটে ভারত থেকে দেশে ফিরলেন ১০ নারী সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে দেবিদ্বারে আইইএস জাতীয় মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত নগরঘাটায় ৮ দলীয় নকআউট ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচ অনুষ্ঠিত গাজীপুরের কাপাসিয়ায় আলী হোসেনের ওপর হামলার ঘটনায় রফিকুল ও টিপুসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা শ্রীপুরে বিএনপির নেতা মোশাররফ সরকারের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচারের প্রতিবাদ সংবাদ সম্মেলন যশোরে লংমার্চ সফলে শহরে জামায়াতের গণমিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ সাতক্ষীরায় এডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণের দাবিতে আইনজীবীদের মানববন্ধন

যশোরে মণিরামপুর থানার সাবেক ওসিসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২ মে, ২০২৬
  • ১১১ বার পঠিত

নজরুল ইসলাম যশোর প্রতিনিধিঃ যশোরে এক কলেজ ছাত্রীকে অপহরণ ও আটকে রাখার অভিযোগে মণিরামপুর থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রজিউল্লাহ খান ও সাংবাদিকসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে যশোর আদালতে মামলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার কলেজ ছাত্রীর মা লালমনিরহাটের বাসিন্দা সেলিনা খাতুন বাদী হয়ে এ মামলা করেছেন। সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুবা শারমীন অভিযোগের তদন্ত করে পিবিআইকে প্রতিবেদন জমা দেয়ার আদেশ দিয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীর আইনজীবী আব্দুর রহমান সোহাগ।
আসামিরা হলো- মণিরামপুর থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রজিউল্লাহ খান, মণিরামপুর উপজেলার ঢাকুরিয়ার আব্দুল মান্নানের ছেলে জাকির হোসেন, তাহেরপুর গ্রামের দেবাশীষ চক্রবর্তীর ছেলে সুমন চক্রবর্তী, বিপ্রেকোনা গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে নুর ইসলাম নাহিদ, হাকোবা গ্রামের পীর আলীর ছেলে তহিদুল ইসলাম, বিজয়রামপুরের আবু মুসার ছেলে আব্দুল্লাহ আল মামুন ও যশোর সিটি কলেজপাড়ার আকবারের ছেলে আসিফ আকবার সেতু।
মামলার অভিযোগে জানা গেছে, কালেজ ছাত্রী সামিয়া আফরুজ মানসিকভাবে অসুস্থ। সে তার বড় বোন এবং দুলাভাইয়ের সাথে পারিবারিক গোলযোগ করে বোন-দুলাভাইকে জব্দ করার জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কিছু মিথ্যা তথ্য প্রচার করে। এ ঘটনাকে পুঁজি করে যশোর ও মণিরামপুরের কিছু কথিত সাংবাদিক সামিয়ার সাথে যোগাযোগ করে তাকে নানাভাবে ফুঁসলায়। আসামি সেতু ও নাহিদ ফুসলিয়ে সামিয়াকে ১৬ মার্চ সকালে মণিরামপুরে নিয়ে আসে। এরপর আসামি জাকির হোসেন ৪ ঘণ্টা থানার পাশে তহিদুলের বাড়িতে রেখে সামিয়াকে। দুপুরে আসামি জাকির হোসেন, সুমন চক্রবর্তী ও আব্দুল্লাহ আল মামুন থানার স্টাফ রুমে নিয়ে তাকে আটকে রাখে। এ সময় সামিয়া চলে যেতে চাইলেও ওসি নিরাপত্তার কথা বলে সাংবাদিকদের যোগসাজসে থানায় দুইরাত রেখে দেয়। ১৭ মার্চ দুপুরে আসামি তহিদুল ইসলাম ও জাকির হোসেন তার দুলাভাইয়ের নামে মিথ্যা তথ্য দিয়ে মামলা লিখে সামিয়ার কাছ থেকে স্বাক্ষর করে নেয়। এরমধ্যে বিষয়টি জানতে পেরে সামিয়ার পিতা সাজেদুর রহমান মানসিক অসুস্থ্য মেয়ে নিখোঁজ হয়েছে মর্মে ১৬ মার্চ লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা থানায় জিডি করেন। ১৭ মার্চ সন্ধ্যায় মেয়েকে খুঁজতে তার পিতা ও মা থানায় গেলে নেই বলে জানিয়ে দেয়া হয়। এরপর আসামিরা সামিয়াকে আটকে রেখে তার দুলাভাইয়ের কাছে আসামিরা দেড় লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন।
সামিয়াকে উদ্ধারে ব্যর্থ হয়ে পরিবারের সদস্যরা প্রেসক্লাব যশোরে সংবাদ সম্মেলন করে। বিকেলে পরিবারের সদস্যরা জানতে পারেন লামিয়াকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। আসামিরা সামিয়ার দুলাভাইয়ের কাছ থেকে অবৈধ পন্থায় টাকা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে মিথ্যা তথ্য দিয়ে দিয়ে মামলা করান। সামিয়া নিরাপত্তা হেফাজত থেকে মুক্তি পেলে বিষয়টি তার কাছ থেকে অবহিত হয়ে তিনি আদালতে এ মামলা করেছেন।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © তথ্যানুসন্ধান ২০২৫
Theme Customized By Shakil IT Park