1. admin@dailytathyanusandhan.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৪৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে রাতের আঁধারে সড়ক কার্পেটিং, দেবিদ্বারে কাজ বন্ধ শিক্ষা ও জ্ঞানার্জনে সমাজের অন্ধকার দূর করার শপথ নিতে হবে:….. দেবিদ্বারে ইউএনও অশোক বিক্রম চাকমা শ্রীপুরে যুবদল নেতাকে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে মোটা অঙ্কের টাকা দাবির অডিও রেকর্ড রয়েছে যশোর বেনাপোলে ট্রাভেল পারমিটে ভারত থেকে দেশে ফিরলেন ১০ নারী সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে দেবিদ্বারে আইইএস জাতীয় মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত নগরঘাটায় ৮ দলীয় নকআউট ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচ অনুষ্ঠিত গাজীপুরের কাপাসিয়ায় আলী হোসেনের ওপর হামলার ঘটনায় রফিকুল ও টিপুসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা শ্রীপুরে বিএনপির নেতা মোশাররফ সরকারের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচারের প্রতিবাদ সংবাদ সম্মেলন যশোরে লংমার্চ সফলে শহরে জামায়াতের গণমিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ সাতক্ষীরায় এডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণের দাবিতে আইনজীবীদের মানববন্ধন

যশোরে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের খাবারে নানা অনিয়মের অভিযোগ রোগী ও স্বজনদের

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬
  • ১২৮ বার পঠিত

নজরুল ইসলাম যশোর প্রতিনিধি: যশোরে কেশবপুর উপজেলার ৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রোগীদের সরকারি খাদ্য তালিকায় নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে কম এবং নিম্নমানের খাবার সরবরাহের অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী পুষ্টিকর ও নির্দিষ্ট পরিমাণের খাবার দেওয়ার কথা থাকলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগী ও তাদের স্বজনেরা।শনিবার সরেজমিনে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের রান্নাঘরে গিয়ে দেখা যায়, দুপুরের খাবারের জন্য মুরগির মাংস ও ডাল রান্না করা হচ্ছে। রাঁধুনী জানান, হাসপাতালে প্রায় একশো রোগী ভর্তি থাকলেও মাত্র ৫০ জনের খাবার রান্না করা হচ্ছে, যার ফলে সবাইকে খাবার দেওয়া সম্ভব হয় না।হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, অভ্যন্তরীণ বিভাগে ভর্তি প্রতিটি রোগীর জন্য প্রতিদিন সরকারিভাবে ১৭৫ টাকার খাবার বরাদ্দ রয়েছে। দরপত্রের শর্ত অনুযায়ী সকালের নাস্তায় নির্দিষ্ট পরিমাণ চিড়া, দুইটি ডিম, চিনি ও বড় সাইজের সবরি কলা এবং দুপুর ও রাতের খাবারে নির্দিষ্ট ওজনের চালের ভাত, সপ্তাহে তিন দিন মাছ, তিন দিন মুরগির মাংস এবং একদিন খাসির মাংস দেওয়ার বিধান রয়েছে।
তবে রোগীদের অভিযোগ, সকালে দুটি ডিমের পরিবর্তে একটি এবং ছোট আকারের নিম্নমানের কলা ও নামমাত্র চিড়া দেওয়া হয়। এছাড়া দুপুরে মাছ কিংবা খাসির মাংসের পরিবর্তে নিয়মিতই কম ওজনের পোল্ট্রি মুরগির মাংস সরবরাহ করা হচ্ছে। চাল ও তরকারির মান খারাপ হওয়ায় অনেকেই বাধ্য হয়ে বাসা থেকে খাবার আনিয়ে খাচ্ছেন।
খাদ্য সরবরাহের দায়িত্বে থাকা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘হাবিব স্টোর’-এর স্বত্বাধিকারী আহমদ আলী এসব অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, বরাদ্দ অনুযায়ীই খাদ্য সরবরাহ করা হচ্ছে। অন্যদিকে ২০১৩ সালের একটি আইনি জটিলতার কারণে বিগত বছরগুলোতে নতুন দরপত্র আহ্বান করা সম্ভব হয়নি বলে জানা গেছে, যার ফলে দীর্ঘদিন ধরে একই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ চালিয়ে আসছে।
এ বিষয়ে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. রেহনেওয়াজ জানান, বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে। আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ও ঠিকাদারকে সাথে নিয়ে রান্নাঘর ও খাবারের মান পরিদর্শনপূর্বক দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © তথ্যানুসন্ধান ২০২৫
Theme Customized By Shakil IT Park