1. admin@dailytathyanusandhan.com : admin :
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৫৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মেঘনায় ১১ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিরাপদ বিশুদ্ধকরন পানির ফিল্টার বিতরণ দেবিদ্বারে স্ত্রীর মর্যাদা ও সন্তানের স্বীকৃতির দাবিতে প্রবাসীর বাড়িতে এক নারীর অবস্থান মাদক কারবারিরা সমাজের সবচেয়ে বড় শত্রু, এদের আইনের হাতে তুলে দিন : ইউএনও অশোক বিক্রম চাকমা সাংবাদিক জনি ফারুককে হেয়প্রতিপন্ন করতে ভিত্তিহীন ভুয়া সংবাদপত্রের কাটিং বানিয়ে অপপ্রচার, তীব্র প্রতিবাদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মাদক সেবীদের ডোপ টেস্টের ব্যবস্থা করা হবে কোটচাঁদপুর আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় এমপি,মতিয়ার রহমান সরকার নাগরিকদের অধিকার রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : আইনমন্ত্রী হলফনামায় ভুয়া সনদ দাখিলের অভিযোগ এমপি নয়নের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জে আওয়ামীলীগের রাজনীতি চাঙ্গা করতে মামা ভাগ্নের নীল নকশা সালনা ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার অভিভাবকদের মত বিনিময় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত. আইনশৃঙ্খলা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ঝিনাইদহ জেলার শ্রেষ্ঠ থানা মহেশপুর

মেঘনায় মাতৃত্বকালীন ভাতা কার্যক্রমে অনিয়মের অভিযোগ, দীর্ঘদিন একই পদে কর্মরত কর্মকর্তা!

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৭৪ বার পঠিত

কুমিল্লা (মেঘনা) প্রতিনিধিঃ-কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় মাতৃত্বকালীন ভাতা কার্যক্রমে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে উপজেলা মহিলা বিষয়ক দপ্তরের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মো. এমদাদ হোসেনের বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে একই কর্মস্থলে বহাল থেকে বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এমদাদ হোসেনের বাড়ি উপজেলার মানিকারচর ইউনিয়নের মাতবেরকান্দি গ্রামে। তাঁর বিরুদ্ধে জমি দখল, ভাতার অর্থ আত্মসাৎ এবং নারী সংক্রান্ত অনৈতিক আচরণের বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে মাতৃত্বকালীন ভাতার কার্ড করে দেওয়ার নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ২ হাজার ৩ হাজার থেকে ৪ হাজার টাকা, কখনও আরও বেশি অর্থ নেওয়ার অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। এ কাজে তাঁর নিজস্ব মাঠকর্মী রয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।

আমিরাবাদ গ্রামের এক এনজিওকর্মী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ভাতা কার্ড প্রক্রিয়ায় মানুষের কাছ থেকে টাকা সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার মাধ্যমে কাজ করিয়ে দেন। তিনি অভিযোগ করেন, এ প্রক্রিয়ায় তাঁকে অনৈতিক প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, এ ধরনের কাজে আরও ১০-১৫ জন মাঠকর্মী জড়িত।

গোবিন্দপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা সোবহান মিয়া অভিযোগ করে বলেন, তাঁর মেয়ের মাতৃত্বকালীন ভাতা কার্ডের জন্য আবেদন করার পর তাঁকে জানানো হয় কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। তবে পরবর্তীতে মোবাইলে ভাতার টাকা জমার বার্তা পেয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাঁকে ব্যাংকে ডেকে ৬ হাজার ৬০০ টাকা দেওয়া হয় এবং বিষয়টি গোপন রাখতে বলা হয়। পরে তিনি মোট ১৪ হাজার ৬০০ টাকা পান, যদিও তাঁর দাবি অনুযায়ী পাওয়ার কথা ছিল ২৮ হাজার ৮০০ টাকা।
স্থানীয়দের মতে, রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে তিনি দীর্ঘদিন একই পদে বহাল রয়েছেন। এ নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে তাঁর দৃশ্যমান সম্পদ ও বাড়ি নির্মাণের উৎস নিয়েও।

অভিযোগ অস্বীকার করে মো. এমদাদ হোসেন বলেন, মাতৃত্বকালীন ভাতা কার্ড করতে কোনো টাকা লাগে না, কেবল আবেদন প্রক্রিয়ায় সামান্য খরচ হয়। তিনি মাঠকর্মী থাকার বিষয়টিও অস্বীকার করেন।
সোবহান মিয়ার অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, ভুক্তভোগী টাকা না পাওয়ায় তিনি নিজেই ব্যাংকে গিয়ে তাঁর প্রাপ্য টাকা তুলে দিয়েছেন। এছাড়া তাঁর নামে থাকা পাঁচতলা ভবনটি ব্যক্তিগত নয়, পারিবারিকভাবে নির্মিত বলে দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি ও তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © তথ্যানুসন্ধান ২০২৫
Theme Customized By Shakil IT Park