1. admin@dailytathyanusandhan.com : admin :
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মেঘনায় ১১ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিরাপদ বিশুদ্ধকরন পানির ফিল্টার বিতরণ দেবিদ্বারে স্ত্রীর মর্যাদা ও সন্তানের স্বীকৃতির দাবিতে প্রবাসীর বাড়িতে এক নারীর অবস্থান মাদক কারবারিরা সমাজের সবচেয়ে বড় শত্রু, এদের আইনের হাতে তুলে দিন : ইউএনও অশোক বিক্রম চাকমা সাংবাদিক জনি ফারুককে হেয়প্রতিপন্ন করতে ভিত্তিহীন ভুয়া সংবাদপত্রের কাটিং বানিয়ে অপপ্রচার, তীব্র প্রতিবাদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মাদক সেবীদের ডোপ টেস্টের ব্যবস্থা করা হবে কোটচাঁদপুর আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় এমপি,মতিয়ার রহমান সরকার নাগরিকদের অধিকার রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : আইনমন্ত্রী হলফনামায় ভুয়া সনদ দাখিলের অভিযোগ এমপি নয়নের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জে আওয়ামীলীগের রাজনীতি চাঙ্গা করতে মামা ভাগ্নের নীল নকশা সালনা ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার অভিভাবকদের মত বিনিময় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত. আইনশৃঙ্খলা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ঝিনাইদহ জেলার শ্রেষ্ঠ থানা মহেশপুর

বিরামপুরে বিট অফিসারের বিরুদ্ধে বনের গাছ কাটার অভিযোগ

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৮৩ বার পঠিত

মো: রুবেল বাবু শুভ, দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার চরকাই বন গবেষণা কেন্দ্র এলাকায় সরকারি নিয়ম কানুন অমান্য করে বন বিভাগের গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে দায়িত্বপ্রাপ্ত এক বিট অফিসারের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে ২১ এপ্রিল ২০২৬ ভোরবেলা,যা স্থানীয় জনগণের মাঝে চরম উদ্বেগ ওক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,চরকাই বন গবেষণা কেন্দ্রের বিট অফিসার মোঃ সাইফুল ইসলাম নিজ দায়িত্বে থাকা বন এলাকার একটি অপরিপক্ক ইউক্যালিপটাস গাছ কোনো প্রকার সরকারি অনুমতি ছাড়াই কর্তন করেন। গাছটি ব্যক্তিগত বাড়ির কাজে ব্যবহার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত বিট অফিসার মোঃ সাইফুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি সরাসরি স্বীকার করেন যে,“আমি উক্ত গাছটি আমার বাড়ির কাজের জন্য কর্তন করেছি।অফিসিয়ালি অনুমতি নেওয়ার ক্ষেত্রে ত্রুটি হয়েছে। এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করলে আমার কিছু বলার নেই।”সরকারি দায়িত্বে থেকে এমন স্বীকারোক্তি ঘটনাটিকে আরও গুরুতর করে তুলেছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেন,শুধু একটি গাছ নয় চরকাই বন গবেষণা কেন্দ্রের আশেপাশে থাকা অনেক মূল্যবান গাছ দীর্ঘদিন ধরে রাতের অন্ধকারে কেটে নেওয়া হচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ডে কিছু অসাধু ব্যক্তির এই বিট অফিসার জড়িত থাকার দাবি করেন।
এতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নীরব সহযোগিতা বা যোগসাজশ রয়েছে।
স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান,“বনের গাছ কাটা এখন নিয়মিত ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রশাসনের চোখের সামনে এসব হচ্ছে, কিন্তু কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।”ঘটনার বিষয়ে বিরামপুর উপজেলা চরকাই ফরেস্ট রেঞ্জ অফিসারের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। আইন কী বলে?
বাংলাদেশের প্রচলিত বন আইন অনুযায়ী,সরকারি বনাঞ্চলের কোনো গাছ কর্তন করতে হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি বাধ্যতামূলক। অনুমতি ব্যতীত গাছ কাটাকে দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়,যার জন্য অর্থদণ্ড,এমনকি কারাদণ্ডের বিধানও রয়েছে। প্রশ্ন উঠছে:একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত বিট অফিসার কীভাবে নিজেই আইন ভঙ্গ করেন?দীর্ঘদিন ধরে বনের গাছ নিধনের পেছনে কারা জড়িত? সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কি এ বিষয়ে কোনো কঠোর পদক্ষেপ নেবে?স্থানীয়দের দাবি:অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দ্রুত বিভাগীয় তদন্ত ও কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। পাশা পাশি বনাঞ্চল রক্ষায় নজরদারি বাড়ানো এবং অবৈধ গাছ কাটার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। এখন দেখার বিষয় প্রশাসন এই গুরুতর অভিযোগে কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে, নাকি আগের মতোই বিষয়টি ধামাচাপা পড়ে যায়।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © তথ্যানুসন্ধান ২০২৫
Theme Customized By Shakil IT Park