1. admin@dailytathyanusandhan.com : admin :
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:২৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মেঘনায় ১১ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিরাপদ বিশুদ্ধকরন পানির ফিল্টার বিতরণ দেবিদ্বারে স্ত্রীর মর্যাদা ও সন্তানের স্বীকৃতির দাবিতে প্রবাসীর বাড়িতে এক নারীর অবস্থান মাদক কারবারিরা সমাজের সবচেয়ে বড় শত্রু, এদের আইনের হাতে তুলে দিন : ইউএনও অশোক বিক্রম চাকমা সাংবাদিক জনি ফারুককে হেয়প্রতিপন্ন করতে ভিত্তিহীন ভুয়া সংবাদপত্রের কাটিং বানিয়ে অপপ্রচার, তীব্র প্রতিবাদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মাদক সেবীদের ডোপ টেস্টের ব্যবস্থা করা হবে কোটচাঁদপুর আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় এমপি,মতিয়ার রহমান সরকার নাগরিকদের অধিকার রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : আইনমন্ত্রী হলফনামায় ভুয়া সনদ দাখিলের অভিযোগ এমপি নয়নের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জে আওয়ামীলীগের রাজনীতি চাঙ্গা করতে মামা ভাগ্নের নীল নকশা সালনা ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার অভিভাবকদের মত বিনিময় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত. আইনশৃঙ্খলা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ঝিনাইদহ জেলার শ্রেষ্ঠ থানা মহেশপুর

দেবিদ্বারে রাজামেহার প্রতিবন্ধী কমপ্লেক্সের প্রধান শিক্ষিকা তামান্না আক্তারের বিরুদ্ধে ঘুষের বিনিময়ে শিক্ষক নিয়োগের অভিযোগ

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১০ নভেম্বর, ২০২৫
  • ২৪৪ বার পঠিত

মো. ফারুক হোসাইন জনি কুমিল্লা (উত্তর) জেলা প্রতিনিধি: কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার রাজামেহার প্রতিবন্ধী কমপ্লেক্স আদর্শ স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও নির্বাহী কমিটির সাধারণ সম্পাদক তামান্না আক্তারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের দুর্নীতি, অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের সহকারী শিক্ষক ও নির্বাহী কমিটির সদস্যবৃন্দ লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন উপজেলা সমাজসেবা অফিসার বরাবর। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, রাজামেহার প্রতিবন্ধী কমপ্লেক্সে মোট ৩৬ জন শিক্ষক রয়েছেন, অভিযোগকারী শিক্ষকরা দাবি করেন, প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের কল্যাণে সমাজসেবা অফিস ও দাতাদের কাছ থেকে প্রাপ্ত অনুদান, শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ভাতা, এবং শিক্ষক নিয়োগে বিপুল পরিমাণ অর্থের লেনদেনে অনিয়ম হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়, তামান্না আক্তার শিক্ষক নিয়োগে একই পরিবারের একাধিক সদস্যকে ঘুষের বিনিময়ে নিয়োগ দিয়েছেন, যেমন নিজের ননদ মোছাঃ আকলিমা আক্তার, দেবরের স্ত্রী মোছাঃ শারমিন আক্তার, এবং আরও দুটি পরিবারের সদস্যদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এতে করে প্রতিষ্ঠানের নিয়মনীতি ও রেজুলেশনের শর্ত ভঙ্গ হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়—২০১৫ সালের জুলাই থেকে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রতিমাসে ৫০০ টাকা করে রেজুলেশন ও হাজিরা খাতার নামে অর্থ আদায় করা হয়েছে। প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের প্রতি জনের ৯,০০০ টাকার শিক্ষা ভাতার মধ্যে মাত্র ১,৫০০ টাকা করে প্রদান করে বাকি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে নিবন্ধন ও অনুদানের আশ্বাসে জনপ্রতি ৩০ হাজার টাকা করে নেওয়া হয়েছে। উপজেলা সমাজসেবা অফিসারদের পরিদর্শনের নামে জনপ্রতি ২৫ হাজার টাকা করে আদায় করা হয়েছে।সাংবাদিক ও স্থানীয় প্রভাবশালীদের মাধ্যমে “নিবন্ধন করিয়ে দেওয়া”র নামে আরও ৩০ হাজার টাকা করে নেওয়া হয়েছে। নতুন সদস্য তালিকাভুক্তির সময় জনপ্রতি ৩০,০০০ টাকা করে গ্রহণ করা হয়েছে। ভবন নির্মাণ ও আসবাবপত্র কেনার অজুহাতে ১৫ হাজার টাকা করে আদায় করা হয়েছে। শিক্ষক-কর্মচারীদের সরকারি বেতনভুক্ত করার প্রতিশ্রুতিতে জনপ্রতি ৩,০০০ টাকা করে নেওয়া হয়েছে, যা এখনো বাস্তবায়ন হয়নি। অভিযোগকারীরা আরও জানান, শিক্ষক তালিকা প্রস্তুতের সময় অনেক পুরাতন শিক্ষককে বাদ দিয়ে নতুন তালিকা করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রশ্ন তুললে তামান্না আক্তার জানান, “এমপি সাহেবের নির্দেশে নতুন তালিকা হয়েছে,”—এমন দাবি করে অভিযোগকারীদের হুমকি-ধমকি দেন তিনি। অভিযোগকারীরা হলেন: নূরজাহান, সুমি আক্তার ও রহিমা। অভিযোগকারীরা উপজেলা সমাজসেবা অফিসের মাধ্যমে দ্রুত তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন, যাতে প্রতিষ্ঠানটি দুর্নীতিমুক্ত হয়ে প্রতিবন্ধী শিশুদের প্রকৃত সেবাকেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © তথ্যানুসন্ধান ২০২৫
Theme Customized By Shakil IT Park