
গাজীপুর প্রতিনিধিঃ গাজীপুরের শ্রীপুরে পৈত্রিক জমি দখল ও আপন ভাতিজাসহ একটি প্রভাবশালী চক্রের মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন হাজী ফিরোজ আহমেদ (৫৮) নামে এক ভুক্তভোগী। শনিবার (২ মে) দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি এই অভিযোগ জানান।
ভুক্তভোগী হাজী ফিরোজ আহমেদ শ্রীপুর পৌরসভার কেওয়া পশ্চিম খন্ড এলাকার মৃত সাহাজ উদ্দিনের ছেলে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, তার আপন বড় ভাই মৃত মানিক মিয়ার ছেলে মো. মোস্তাফিজুর রহমান মিলন পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া জমি ছাড়াও হাজী ফিরোজ আহমেদের ক্রয়কৃত ও ভোগদখলীয় জমি জাল দলিলের মাধ্যমে দখলের চেষ্টা করছে।
তিনি অভিযোগ করেন, ১৯৮৬ সালে ৩১০নং দলিলের মাধ্যমে এবং ১৯৯৩ সালে অন্য এক দাগে পৈত্রিক জমি বিনিময় সূত্রে তিনি মালিক হন। কিন্তু তার ভাতিজা মিলন ও তার সহযোগীরা ভুয়া দলিল তৈরি করে তাকে পৈত্রিক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করতে চাইছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সালিশ-বৈঠক হলেও বিবাদী পক্ষ কোনো সিদ্ধান্তই মানছে না।
সংবাদ সম্মেলনে হাজী ফিরোজ আহমেদ আরও বলেন, “জমি নিয়ে বিরোধের জেরে মিলন আমাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে জয়দেবপুর ও শ্রীপুর থানায় একাধিক মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে। দীর্ঘ তদন্ত শেষে বিজ্ঞ আদালত অনেকগুলো মামলা খারিজ করে দিয়েছেন। তবুও নতুন নতুন হয়রানিমূলক মামলার ভয় দেখিয়ে আমাকে ও আমার পরিবারকে এলাকা ছাড়া করার হুমকি দেওয়া হচ্ছে।”
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী আরও দাবি করেন, বিবাদী মোস্তাফিজুর রহমান মিলন এলাকায় মামলাবাজ হিসেবে পরিচিত। সাধারণ মানুষকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে টাকা হাতিয়ে নেওয়া তার পেশা। তার অত্যাচার থেকে বাঁচতে এবং নিজের পৈত্রিক জমি ফিরে পেতে তিনি স্থানীয় প্রশাসন ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী হাজী ফিরোজ আহমেদের পরিবারের সদস্যরা এবং স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।