1. admin@dailytathyanusandhan.com : admin :
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৫৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মেঘনায় ১১ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিরাপদ বিশুদ্ধকরন পানির ফিল্টার বিতরণ দেবিদ্বারে স্ত্রীর মর্যাদা ও সন্তানের স্বীকৃতির দাবিতে প্রবাসীর বাড়িতে এক নারীর অবস্থান মাদক কারবারিরা সমাজের সবচেয়ে বড় শত্রু, এদের আইনের হাতে তুলে দিন : ইউএনও অশোক বিক্রম চাকমা সাংবাদিক জনি ফারুককে হেয়প্রতিপন্ন করতে ভিত্তিহীন ভুয়া সংবাদপত্রের কাটিং বানিয়ে অপপ্রচার, তীব্র প্রতিবাদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মাদক সেবীদের ডোপ টেস্টের ব্যবস্থা করা হবে কোটচাঁদপুর আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় এমপি,মতিয়ার রহমান সরকার নাগরিকদের অধিকার রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : আইনমন্ত্রী হলফনামায় ভুয়া সনদ দাখিলের অভিযোগ এমপি নয়নের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জে আওয়ামীলীগের রাজনীতি চাঙ্গা করতে মামা ভাগ্নের নীল নকশা সালনা ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার অভিভাবকদের মত বিনিময় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত. আইনশৃঙ্খলা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ঝিনাইদহ জেলার শ্রেষ্ঠ থানা মহেশপুর

এএফএম তারেক মুন্সীই দেবিদ্বারের ব্যালট নির্ধারক: সমর্থনের ইঙ্গিতেই পাল্টে যাবে সমীকরণ

  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১০১ বার পঠিত

জিএম মাকছুদুর রহমান, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার: আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে নতুন করে চাঙা হয়ে উঠেছে রাজনৈতিক অঙ্গন। বিশেষ করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এএফএম তারেক মুন্সী। দলীয় রাজনীতিতে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং তৃণমূলে শক্তিশালী নেটওয়ার্কের কারণে স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা তাঁকে ইতোমধ্যেই ‘দেবিদ্বারের কিং’, ‘কিংমেকার’, এমনকি ‘মহারাজা’ হিসেবে উল্লেখ করছেন। এলাকার সাধারণ ভোটারদের সোজাসাপ্টা বক্তব্য— “তারেক মুন্সী যাকে সমর্থন করবে, এবার দেবিদ্বারের এমপি সে-ই হবে।” “তারেক মুন্সীর সমর্থন ছাড়া কেউ দেবিদ্বারের এমপি হওয়ার স্বপ্ন দেখলেও বাস্তবে সম্ভব নয়।” স্থানীয় রাজনীতিতে তাঁর উত্থান ছিল ধীর কিন্তু অত্যন্ত সুসংগঠিত। দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূল পর্যায়ে সমাজসেবা, সংঘঠন পুনর্গঠন এবং রাজনৈতিক কর্মীদের নিয়ে মাঠে থাকার কারণে তাঁর জনপ্রিয়তা এখন সর্বোচ্চ পর্যায়ে। দলীয় বিভক্তি বা অভ্যন্তরীণ সমস্যায় বহুবার মধ্যস্থতা করে নেতাকর্মীদের আস্থা অর্জন করেছেন। রাজনৈতিক সংকট কিংবা কঠিন সময়ে দলের পাশে দাঁড়ানোর কারণেই তাঁর অবস্থান আজ অবিসংবাদিত।স্থানীয়দের ভাষায়—“দেবিদ্বারে বিএনপির শক্তি মানেই তারেক মুন্সীর ব্যবস্থাপনা। তিনি যা বলেন, তাতে নেতাকর্মীদের পূর্ণ আস্থা।” দেবিদ্বারের গ্রাম-গঞ্জ ও হাট-বাজারে খোঁজ নিলে একটাই সুর শোনা যায়- “তারেক মুন্সীর কথা মানে দেবিদ্বারের মানুষের মত।” “যাকে তিনি সামনে আনবেন, তাকেই দেবিদ্বারের মানুষ ভোট দেবে।” অধিকাংশ ভোটার মনে করছেন—তারেক মুন্সীর সমর্থন পাওয়া মানেই নির্বাচনে অর্ধেক পথ পেরিয়ে যাওয়া। কারণ তিনি এখন শুধু দলীয় একজন নেতা নন, বরং এলাকার মানুষের আস্থা-ভরসার নাম। গত কয়েক বছরে অসংখ্য সামাজিক উদ্যোগ, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় থাকার কারণে সাধারণ মানুষ তাঁকে নিজেদের প্রতিনিধি মনে করেন। কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব হিসেবে তাঁর নির্দেশনা এখন তৃণমূলে কার্যকরী এবং দলীয় নেতাকর্মীরা তাঁর সিদ্ধান্ত সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তাঁর সিদ্ধান্ত শুধু বিএনপি নয়—অন্যান্য প্রার্থী ও দলের হিসাবও বদলে দেয়। দেবিদ্বারের নির্বাচন সবসময়ই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। কিন্তু এবার মাঠের সমীকরণ পুরোপুরি বদলে দিয়েছে তারেক মুন্সীর জনপ্রিয়তা। বিএনপি–জোটের ভেতরে যেই প্রার্থীই হোন না কেন, তাঁকে নির্বাচনী মাঠে শক্তিশালী করতে তাঁর সমর্থন এখন অত্যাবশ্যক শর্ত।।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © তথ্যানুসন্ধান ২০২৫
Theme Customized By Shakil IT Park