1. admin@dailytathyanusandhan.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৩৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে রাতের আঁধারে সড়ক কার্পেটিং, দেবিদ্বারে কাজ বন্ধ শিক্ষা ও জ্ঞানার্জনে সমাজের অন্ধকার দূর করার শপথ নিতে হবে:….. দেবিদ্বারে ইউএনও অশোক বিক্রম চাকমা শ্রীপুরে যুবদল নেতাকে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে মোটা অঙ্কের টাকা দাবির অডিও রেকর্ড রয়েছে যশোর বেনাপোলে ট্রাভেল পারমিটে ভারত থেকে দেশে ফিরলেন ১০ নারী সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে দেবিদ্বারে আইইএস জাতীয় মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত নগরঘাটায় ৮ দলীয় নকআউট ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচ অনুষ্ঠিত গাজীপুরের কাপাসিয়ায় আলী হোসেনের ওপর হামলার ঘটনায় রফিকুল ও টিপুসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা শ্রীপুরে বিএনপির নেতা মোশাররফ সরকারের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচারের প্রতিবাদ সংবাদ সম্মেলন যশোরে লংমার্চ সফলে শহরে জামায়াতের গণমিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ সাতক্ষীরায় এডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণের দাবিতে আইনজীবীদের মানববন্ধন

নাঃগঞ্জ মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব এড, টিপু ডেঙ্গু আক্রান্ত প্রধানমন্ত্রীর ফেনী সফর ঘিরে মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সাখাওয়াতের দৃশ্যমান ভূমিকা ছিলনা বিধায় নেতাকর্মীদের তীব্র ক্ষোভ

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১৩৮ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক : নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। গত ২৮ সেপ্টেম্বর তাঁর ডেঙ্গু পরীক্ষার ফল পজিটিভ আসে। অসুস্থতার কারণে তিনি বর্তমানে স্বাভাবিক রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে পারছেন না।

টিপুর অসুস্থতার মধ্যেই ১ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রীর ঢাকা-কুমিল্লা হয়ে ফেনী সফরকে ঘিরে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক তৎপরতা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা তৈরি হয়েছে। অতীতে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচি ও সফরকে কেন্দ্র করে মহানগর বিএনপির নেতাকর্মীদের বিভিন্ন কর্মসূচি ও দৃশ্যমান উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেলেও এবার তেমন কোনো সমন্বিত উদ্যোগ দৃশ্যমান হয়নি—এমন আলোচনা রয়েছে।

বিশেষ করে সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপু অসুস্থ থাকায় সংগঠনের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খানের নেতৃত্বে বিকল্প সাংগঠনিক উদ্যোগ কতটা নেওয়া হয়েছে এবং মাঠপর্যায়ে তাঁর দৃশ্যমান ভূমিকা কতটা ছিল—এ নিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের একটি অংশের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে।
তবে এ বিষয়টিকে দলীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ হিসেবে নয়, বরং সদস্য সচিবের অনুপস্থিতিতে সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও দৃশ্যমান ও সমন্বিত করার প্রত্যাশা হিসেবেই দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
দলীয় নেতাকর্মীদের একাংশের মতে, কোনো একজন শীর্ষ নেতা অসুস্থ বা অনুপস্থিত থাকলে সংগঠনের অন্য শীর্ষ নেতৃত্বের দায়িত্ব আরও বেড়ে যায়। সে ক্ষেত্রে কর্মসূচি নির্ধারণ, নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ, সাংগঠনিক সমন্বয় এবং মাঠপর্যায়ে নেতৃত্ব দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

এ প্রসঙ্গে অতীতের একটি বিষয়ও সামনে আনছেন নেতাকর্মীদের অনেকে। মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান যখন অসুস্থ ছিলেন, তখন সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপুকে সংগঠনের বিভিন্ন কার্যক্রমে তুলনামূলকভাবে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে দেখা গেছে বলে তাঁদের দাবি। ওই সময়ে তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ, সাংগঠনিক কার্যক্রম এবং বিভিন্ন কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিয়ে সংগঠনের কার্যক্রম সচল রাখার চেষ্টা করেছেন এমন বক্তব্য রয়েছে তাঁর অনুসারীদের। যেই প্রধানমন্ত্রী তাকে প্রশাসক বানালো বানালো এবং মহানগর বিএনপির আহবায়ক করলো এবং তার নারায়ণগঞ্জ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী সফর করলেন তার অনুপস্থিতি নেতাকর্মীদের ক্ষোভ এর সঞ্চার।

তাঁদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতেও টিপুর অনুপস্থিতিতে মহানগর বিএনপির আহ্বায়কসহ শীর্ষ নেতৃত্বের পক্ষ থেকে একই ধরনের দৃশ্যমান সাংগঠনিক তৎপরতা প্রত্যাশিত ছিল। তবে ১ অক্টোবরের কর্মসূচিকে ঘিরে সেই প্রত্যাশার সঙ্গে বাস্তব পরিস্থিতির পার্থক্য নিয়েই এখন আলোচনা তৈরি হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের একটি অংশ আরও বলছেন, টিপু দীর্ঘদিন ধরে রাজপথের বিভিন্ন কর্মসূচি, সাংগঠনিক কার্যক্রম এবং দলীয় নির্দেশনা বাস্তবায়নে সক্রিয় ছিলেন। ফলে তাঁর অসুস্থতা মহানগর বিএনপির মাঠপর্যায়ের কার্যক্রমে কিছুটা প্রভাব ফেলেছে বলে তাঁরা মনে করছেন।

এদিকে টিপুর অনুপস্থিতিতেও মহানগর বিএনপির অন্যান্য দায়িত্বশীল নেতারা নিজ নিজ অবস্থান থেকে সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে গেলেও, এসব তৎপরতা কতটা সমন্বিত ও কার্যকর ছিল—তা নিয়েও দলীয় মহলে আলোচনা রয়েছে।

টিপুর অসুস্থতাকে ঘিরে তাঁর রাজনৈতিক সহকর্মী ও অনুসারীরা তাঁর দ্রুত সুস্থতা কামনা করছেন। একই সঙ্গে তাঁদের প্রত্যাশা, তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে আবারও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে ফিরবেন এবং তাঁর অনুপস্থিতির সময়টিতে মহানগর বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব সাংগঠনিকভাবে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে।

তবে শক্তিশালী সাংগঠনিক কাঠামোর ক্ষেত্রে কোনো একজন নেতার অনুপস্থিতিতে অন্য নেতৃত্ব কতটা দ্রুত দায়িত্ব নিয়ে মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে, সেটিও সংগঠনের সক্ষমতার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।

সংশ্লিষ্ট নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা, টিপুর অসুস্থতাকে কেন্দ্র করে সাংগঠনিক স্থবিরতা নয়, বরং মহানগর বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে আরও সমন্বয় ও সক্রিয়তা তৈরি হবে। তাঁদের ভাষায়, টিপুর অসুস্থতা শুধু একজন নেতার অনুপস্থিতির বিষয় নয়; এটি মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সক্ষমতারও একটি পরীক্ষা।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © তথ্যানুসন্ধান ২০২৫
Theme Customized By Shakil IT Park