
হাজী মু.ফারুক হোসাইন জনি, কুমিল্লা (উত্তর) জেলা প্রতিনিধি: কুমিল্লার দেবিদ্বারে মা, ৬মাসের শিশু ভাতিজিকে গলা কেটে হত্যা ও ভাবিকে পিটিয়ে মারাত্তক জখম করেছে ইমন নামের এক যুবক ।
সোমবার (২১সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮ টায় উপজেলার বড়শালঘর ইউনিয়নের, বড়শালঘর গ্রামের দক্ষিণ পাড়ার মোস্তফা মাস্টারের বাড়িতে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা
এ ঘটনায় ঘাতক ইমন (২৯) নামের এক যুবককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। নিহতরা হলেন—ইমনের গর্ভধারিনী মা পেয়ারা বেগম (৫০), ভাবি রাবেয়া বেগম (২৫) এবং রাবেয়ার দুই বছর বয়সী ইসরাত জাহান। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকালে হঠাৎ ধারালো অস্ত্র নিয়ে নিজ পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালান ইমন। তিনি প্রথমে তার মা পেয়ারা বেগম ও দুই বছরের ভাতিজিকে গলা কেটে হত্যা করেন। এতে ঘটনাস্থলেই মা ও শিশুর মৃত্যু হয়। এ সময় গুরুতর আহত হন ভাবি রাবেয়া বেগম। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে দ্রুত কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেখানে তারও মৃত্যু হয়। ঘটনার পর আশপাশের লোকজন একত্রিত হয়ে অভিযুক্ত ইমনকে আটক করেন এবং পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে দেবিদ্বার থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অভিযুক্তকে হেফাজতে নেয়। বিষয়টি নিশ্চিত করে
দেবিদ্বার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, “খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলের পৌছে ঘাতক ইমনকে আটক করি। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে অভিযুক্ত ইমন দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। তবে ঠিক কী কারণে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
অভিযুক্তকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। তদন্ত শেষে হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদঘাটন করা সম্ভব হবে।