1. admin@dailytathyanusandhan.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৩৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে রাতের আঁধারে সড়ক কার্পেটিং, দেবিদ্বারে কাজ বন্ধ শিক্ষা ও জ্ঞানার্জনে সমাজের অন্ধকার দূর করার শপথ নিতে হবে:….. দেবিদ্বারে ইউএনও অশোক বিক্রম চাকমা শ্রীপুরে যুবদল নেতাকে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে মোটা অঙ্কের টাকা দাবির অডিও রেকর্ড রয়েছে যশোর বেনাপোলে ট্রাভেল পারমিটে ভারত থেকে দেশে ফিরলেন ১০ নারী সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে দেবিদ্বারে আইইএস জাতীয় মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত নগরঘাটায় ৮ দলীয় নকআউট ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচ অনুষ্ঠিত গাজীপুরের কাপাসিয়ায় আলী হোসেনের ওপর হামলার ঘটনায় রফিকুল ও টিপুসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা শ্রীপুরে বিএনপির নেতা মোশাররফ সরকারের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচারের প্রতিবাদ সংবাদ সম্মেলন যশোরে লংমার্চ সফলে শহরে জামায়াতের গণমিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ সাতক্ষীরায় এডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণের দাবিতে আইনজীবীদের মানববন্ধন

সাতক্ষীরায় সরকারি মৎস্য খামারের মাছ হরিলুট, ভাড়ার টাকা গায়েব,বাড়ি ভাড়া উত্তোলনের অভিযোগ ডা.শফিকুলের বিরুদ্ধে

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬
  • ১০৩ বার পঠিত

এম ইদ্রিস আলী,সাতক্ষীরা প্রতিনিধিঃ সাতক্ষীরার এল্লারচর সরকারি মৎস্য খামারে বদলির আদেশ জারির পরও সরকারি স্লিপ ছাড়াই লাখ লাখ টাকার মাছ বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, সরকারি নীতিমালা উপেক্ষা করে খামার থেকে মাছ ধরে বিক্রি করা হচ্ছে, ফলে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
রোববার (২৬ জুলাই) ভোর থেকে খামারে মাছ ধরা ও বিক্রির কার্যক্রম শুরু হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি খাস জমিতে অবস্থিত এ মৎস্য খামারটি নির্ধারিত সরকারি নীতিমালা ও ইজারা প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে দীর্ঘদিন ধরে পরিচালিত হচ্ছে। এ ঘটনায় খামারের দায়িত্বে থাকা ডা. শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সরকারি খামারের কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ও বিধি-বিধান অনুসরণ করে পরিচালিত হওয়ার কথা। কিন্তু চলতি সময়ে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই মাছ বিক্রি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে সরকারি রাজস্ব আদায়ে ক্ষতি হচ্ছে বলেও দাবি স্থানীয়দের।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, সরকারি সম্পত্তি ব্যক্তিগত নিয়ন্ত্রণে ব্যবহার করে মাছ বিক্রির অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা না হয়ে অন্যভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এছাড়া মাছ বিক্রির সময় ক্রেতাদের সরকারি স্লিপ বা প্রয়োজনীয় রসিদও দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন তারা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্থানীয় মৎস্যচাষী বলেন, সরকারি খামার পরিচালনায় নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। কিন্তু কোনো দৃশ্যমান অনুমোদন ছাড়াই কীভাবে এত বড় পরিসরে মাছ বিক্রি হচ্ছে, তা আমাদের বোধগম্য নয়। এতে সরকার যেমন রাজস্ব হারাচ্ছে, তেমনি সাধারণ মৎস্যচাষীরাও বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন।
অভিযোগের বিষয়ে খামারের দায়িত্বে থাকা ডা. শফিকুল ইসলাম বলেন, খামারের কাজই হলো মাছ কেনাবেচা করা। বিভিন্ন বকেয়া পরিশোধের প্রয়োজন হয়। আমাদের ৪ থেকে ৬ ইঞ্চি আকারের পোনা মাছ বিক্রির নিয়ম রয়েছে।
এ বিষয়ে রসিদও আছে, তবে তা বর্তমানে আমার কাছে নেই।তবে বদলির আদেশের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান এবং অভিযোগ অস্বীকার করেন। এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্টাফ জানান, তার সেচ্ছাচারীতায় আমরা উদ্ভিন্ন,সরকারি কোন নিয়মনীতি তিনি মানেন না তার ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠানে পরিনতি দিয়েছে। অফিসের কনফারেন্স রুম বিভিন্ন এনজিও প্রতিষ্ঠানের প্রগ্রাম করার জন্য ভাড়া দিয়ে সেই টাক নিজে পকেটস্থ করেন। পরিবার নিয়ে সরকারি ঘরে থেকেও নিয়মিত ঘর ভাড়া তুলে নেওয়ার বিস্তার অভিযোগ উঠেছে।

এ বিষয়ে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জি. এম. সেলিম বলেন, সংবাদ পেয়ে আমরা সকালে ঘটনাস্থলে এসেছি। একই সঙ্গে আজ সকালেই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বদলির আদেশের কাগজ হাতে পেয়েছি। মাছ বিক্রি সরকারি নির্ধারিত রেট অনুযায়ী করতে হবে এবং প্রতিটি বিক্রির ক্ষেত্রে সরকারি স্লিপ দিতে হবে। বিক্রির সব তথ্য সরকারি রেজিস্টারে সংরক্ষণ করতে হবে। এর বাইরে কোনো অনিয়ম হয়ে থাকলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে রুম ভাড়া, পরিবার নিয়ে থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোন মন্তব্য না করে এড়িয়ে যান।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © তথ্যানুসন্ধান ২০২৫
Theme Customized By Shakil IT Park