1. admin@dailytathyanusandhan.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০২:১৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে রাতের আঁধারে সড়ক কার্পেটিং, দেবিদ্বারে কাজ বন্ধ শিক্ষা ও জ্ঞানার্জনে সমাজের অন্ধকার দূর করার শপথ নিতে হবে:….. দেবিদ্বারে ইউএনও অশোক বিক্রম চাকমা শ্রীপুরে যুবদল নেতাকে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে মোটা অঙ্কের টাকা দাবির অডিও রেকর্ড রয়েছে যশোর বেনাপোলে ট্রাভেল পারমিটে ভারত থেকে দেশে ফিরলেন ১০ নারী সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে দেবিদ্বারে আইইএস জাতীয় মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত নগরঘাটায় ৮ দলীয় নকআউট ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচ অনুষ্ঠিত গাজীপুরের কাপাসিয়ায় আলী হোসেনের ওপর হামলার ঘটনায় রফিকুল ও টিপুসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা শ্রীপুরে বিএনপির নেতা মোশাররফ সরকারের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচারের প্রতিবাদ সংবাদ সম্মেলন যশোরে লংমার্চ সফলে শহরে জামায়াতের গণমিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ সাতক্ষীরায় এডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণের দাবিতে আইনজীবীদের মানববন্ধন

বিধি লঙ্ঘন করে নিয়োগ- দুই দশক ধরে সরকারি বেতন আত্মসাৎ, তদন্তের দাবি জোরালো

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৩৯ বার পঠিত

মো: রুবেল বাবু শুভ বিরামপুর ( দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার বিরামপুর চাঁদপুর ফাজিল (স্নাতক) মাদ্রাসায় দীর্ঘ প্রায় দুই দশক ধরে বিধি বহির্ভূতভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে সরকারি বেতন ভাতা আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে । বিষয়টি স্থানীয় শিক্ষা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। অভিযোগে জানা যায়,উক্ত মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক (শরীরচর্চা) পদে কর্মরত মোঃ ছাইদুল ইসলাম ২০০০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি যোগদান করেন। তবে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির শর্ত অনুযায়ী ওই পদে নিয়োগের জন্য প্রার্থীর স্নাতক (ফাজিল সমমান) ডিগ্রি ও বিপিএড প্রশিক্ষণসহ সকল পরীক্ষায় কমপক্ষে দ্বিতীয় বিভাগ থাকা বাধ্যতামূলক ছিল। কিন্তু অনুসন্ধানে উঠে এসেছে,অভিযুক্ত শিক্ষক নিয়োগের সময় এসব যোগ্যতা অর্জন করেননি। তিনি ফাজিল পাস করেন ২০০০ সালে,স্নাতক সম্পন্ন করেন ২০০৩ সালে এবং বিপিএড প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন ২০০৬ সালে। অর্থাৎ প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত যোগ্যতা অর্জনের আগেই তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়,যা স্পষ্টভাবে সরকারি বিধিমালার লঙ্ঘন। বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ:
বিশেষজ্ঞরা বলছেন,বে সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক কর্মচারীদের নিয়োগ ও এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে সরকারি নীতিমালা অত্যন্ত কঠোর। যোগ্যতা ছাড়া নিয়োগ পাওয়া মানেই তা অবৈধ। এই ক্ষেত্রে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির শর্ত অমান্য করা হয়েছে যোগ্যতা অর্জনের পূর্বেই নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে নিয়োগ বোর্ড ও রেজুলেশন প্রক্রিয়ায় অনিয়মের সম্ভাবনা রয়েছে
ফলে,এই নিয়োগটি সম্পূর্ণভাবে “বিধি বহির্ভূত” হিসেবে প্রমাণিত হওয়ার যথেষ্ট ভিত্তি রয়েছে। সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ: অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, অবৈধভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে সরকারি অংশের বেতন ভাতা গ্রহণ করেছেন সংশ্লিষ্ট শিক্ষক। যা সরকারি অর্থ আত্মসাৎ হিসেবে গণ্য হতে পারে।আইন বিশেষজ্ঞদের মতে,যদি তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হয়,তাহলে এটি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এর আওতায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। প্রমাণাদি সংযুক্ত:
অভিযোগের সাথে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথি সংযুক্ত করা হয়েছে,যার মধ্যে রয়েছে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির পত্রিকার কাটিং যোগদানপত্র ও নিয়োগপত্র
শিক্ষাগত সনদপত্র (দাখিল,আলিম, ফাজিল) স্নাতক ও বিপিএড প্রশিক্ষণের সনদ নিয়োগ বোর্ডের কাগজপত্র ও রেজুলেশন এসব নথি যাচাই করলে পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়মের চিত্র স্পষ্ট হবে বলে দাবি করা হয়েছে। প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা: অভিযোগকারী সহকারী শিক্ষক মোঃ আব্দুর রশীদ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সরেজমিন তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে অনুলিপি প্রেরণ করা হয়েছে ইসলামিক আরবি বিশ্ববিদ্যালয়,ঢাকা
বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড জেলা প্রশাসক,দিনাজপুর জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার উপজেলা নির্বাহী অফিসার,বিরামপুর স্থানীয়দের প্রতিক্রিয়া: স্থানীয় শিক্ষাবিদ ও সচেতন মহল বলছেন,“যদি এই অভিযোগ সত্য হয়,তাহলে এটি শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম নয় বরং পুরো শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য একটি বড় ধরনের প্রশ্নবিদ্ধ ঘটনা। দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া জরুরি।”
বিরামপুরের এই ঘটনা আবারও প্রমাণ করছে,শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা কতটা গুরুত্বপূর্ণ। এখন সবার নজর প্রশাসনের দিকে তদন্তে কী বেরিয়ে আসে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়,সেটিই দেখার বিষয়।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © তথ্যানুসন্ধান ২০২৫
Theme Customized By Shakil IT Park