নজরুল ইসলাম যশোর প্রতিনিধি: যশোর জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ। ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকে উঠে আসা আলোচিত এই খাদ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগের শেষ নেই। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তিনি নিজ জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জের কিং ছিলেন। তার ছিল বিশাল গ্যাং বাহিনী । ৫ আগস্টের পরে গোয়েন্দা সংস্থার পক্ষ থেকে সারা দেশে ফ্যাসিস্টের দোসর হিসেবে যে সকল সরকারি কর্মকর্তাদের তালিকা করা হয়েছে তার শীর্ষ স্থানে এই খাদ্য কর্মকর্তার নাম আছে বলে একাধিক সূত্রে জানা গেছে ।নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, যশোর জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সেফাউর রহমানের গ্রামের বাড়ি চাঁপাই নবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার বোয়ালিয়া ইউনিয়নের কাওয়াভাষা গ্রামে। তিনি ২৫ তম বিসিএস ক্যাডার হিসেবে খাদ্য অধিদপ্তরে যোগদান করেন। সরকারি চাকরির আগে ছাত্রলীগ ও পরে সক্রিয়ভাবে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন ।
বিশেষ করে ওয়ান ইলেভেনের পর আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এলে তিনি রীতিমতো ক্যাডার বাহিনী গড়ে তোলেন ।ওই বাহিনীর নেতৃত্বে এলাকায় চাঁদাবাজি, টেন্ডারসহ বিভিন্ন অপকর্ম চালাতেন। জামায়াত বিএনপির উপর কঠোর নির্যাতন করে তিনি সরকারের নেক নজরে আসেন । চাকরির পাশাপাশি এলাকায় রীতিমতো ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেন । সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে রয়েছে তার একাধিক আইডি । সেফাউর ভাইয়ের বোয়ালিয়া সমর্থক গোষ্ঠী নামের আইডি থেকে রাজনৈতিক কর্মকান্ডের ছবিও ভিডিও পোস্ট দিতেন । তার স্ত্রী সাবিহা শবনম কেয়া ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান । সেফাউর রহমান বিগত আওয়ামী লীগের শাসনামলে সরকারি চাকরি করেও তিনি প্রকাশ্যে দলীয় সব প্রোগ্রামে অংশ নিতেন। এমপি মন্ত্রীদের সাথে তার ছিল গভীর সখ্যতা ।