খান মোঃ রফিকুল ইসলাম: রঘুনাথপুর মুন্সিবাড়ি, ভুইগড়, ফতুল্ল এলাকায় রব মুন্সির নেতৃত্বে লেকের সাইট থেকে বা খালের সাইট থেকে প্রায় ৩০০০ মিটারের মত দুই ইঞ্চি মোটা পাইপ দিয়ে গত শুক্রবার ২১/১১/২৫ ইং তারিখ থেকে আজ পর্যন্ত রাতের অন্ধকারে রাত ১২ টার পর গ্যাসের লাইন এর সংযোগের কাজ করছেন। তবে এখানে গ্যাস অফিসের কোন কর্মকর্তা থাকে না। এলাকাবাসী মিলে এমন কাজ করছে।তাই কেহ কিছু বলছে না।বললেও বলে অনুমতি নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
আঃ রব মুন্সি বলেন আমরা ছয় বছর যাবৎ গ্যাসের সমস্যায় ভুগতেছি।আমার আটটি চুলা আমি গ্যাস বিল দিয়ে দিতেছি কিন্তু গ্যাস পাইতেছি না। এই এলাকার রাস্তা আমার বাপ দাদার সম্পত্তি থেকে নেওয়া।আমাদের গ্যাস লাইনের কাজ আমরা এলাকাবাসী সবাই মিলে করতেছি। চুরি করতেছি না রাতের অন্ধকারে গ্যাস লাইন ঠীক করতেছি।
তবে এখানে এই খবরটি কিছু সাংবাদিকদের নলেজে যাবার পরে তারা সেখানে উপস্থিত হয়ে, তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আপনাদের এই গ্যাস সংযোগের কন্ট্রাক্টার কে বা কোথায়? তবে ওখানে উপস্থিত রব মুন্সি বলেন কন্ট্রাক্টার দরকার নেই আমি কন্টাকটার, আমি আচ্ছি আমাকে যা বলার বলেন। এই বলে কন্টাকটার কে আর সাংবাদিকদের সামনে হাজির করেনি। গ্যাস লাইনের কাজ করতেছেন এর গ্যাস অফিসের অনুমতি আছে কিনা জানতে চাইলে বলে জি, আছে। আমরা গ্যাস অফিসের অনুমোদন নিয়েই কাজ করতেছি। যে কাজ করার কথা ছিল সরকারের তাহা আমরাই করতেছি।একপর্যায়ে ওই এলাকার সমস্ত লোকজন জ্বর হয় সাংবাদিকদের উপরে ক্ষিপ্ত হয় তারা বলে আমরা গ্যাসের লাইন অনুমোদন নিয়েই নিতেছি কেন আসছেন আপনাদের কে ইনফরমেশন দিয়েছে আপনারা গিয়ে গ্যাস অফিসের সাথে যোগাযোগ করুন। গ্যাস অফিসের সাথে আমাদের সংযোগ আছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, তিনি বলেন আমার টাও অবৈধ, বর্তমানে এই সব এলাকায় ৭০/৮০% লাইন অবৈধ। আমরা অফিসের কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলেই লাইন চালাচ্ছি।