জিএম মাকছুদুর রহমান, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার: কুমিল্লার তিতাস উপজেলার সাতানী ইউনিয়নের মঙ্গলকান্দি গ্রামে এ সংঘর্ষ হয়। সরেজমিন জানা যায়, ২১অক্টোবর(মঙ্গলবার) সকাল আনুমানিক ১১ টায় জগতপুর ইউনিয়নের দুলাল পুর গ্রামের আক্তারের ছেলে মহিন ২টি মেয়ে নিয়ে মঙ্গলকান্দি গ্রামে ঘুরতে আসে এবং গ্রামের শীলবাড়ি নামক স্থানে একটি ফাঁকা ঘরে সাথে থাকা একটি মেয়ে নিয়ে প্রবেশ করে ও অপর মেয়েটি বাইরে অবস্থান করে। এরূপ অবস্থায় গ্রামের কয়েকজন যুবক তাদেরকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে এবং ভবিষ্যতে এরূপ ঘটনা যেন না ঘটায় এ বলে শাসিয়ে ছেড়ে দেয়। এ ঘটনার সূত্র ধরে ওইদিন দুপুর আনুমানিক ১:৩০ টায় জগতপুরের কিছু যুবক মঙ্গল কান্দি গ্রামে হামলা করে গাজী-উর রহমান নামের এক যুবককে পিটিয়ে আহত করে এবং তার বিকাশের দোকান হতে তার ব্যবসার ৪টি মোবাইল ও নগদ টাকা (সর্বমোট আনুমানিক ৪লাখ টাকা) নিয়ে যায়। এসময় তার চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে এবং তাদেরকে ধাওয়া করলে তারা পালানোর চেষ্টা করে। এসময় উপস্থিত লোকজন দুই যুবককে আটক করে। পরে জগতপুর গ্রামের তফাজ্জল হোসেন তবিল এসে আমাদেরকে অনেক হুমকি ধামকি দিয়ে তাদেরকে নিয়ে যায়। আহত গাজী-উর রহমানের চাচি জানান, আমরা গাজীকে চিকিৎসার জন্য তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করি। সন্ধ্যায় তারা আবারও লাঠি-সোটা নিয়ে আমাদের গ্রামে হামলা করে, তখন আমরা ৯৯৯ নাম্বারে যোগাযোগ করলে এবং মাইকে ডাকাত পরেছে বলে ঘোষণা দিলে গ্রামের লোকজন ছুটে আসলে তখন তারা পালিয়ে যায়। এসময় তারা আমার পাশের বাড়ির এক ননদকে পিটিয়ে মাথা ফাটিয়ে দেয়। বর্তমানে সেও হাসপাতালে ভর্তি আছে। তিনি আরও বলেন, আমার জাল (গাজীর মা) তিতাস থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এ ব্যাপারে জগতপুর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি তফাজ্জল হোসেন তবিলের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমাকে দুপুর বেলা মঙ্গল কান্দি হতে দুলাল নামের এক ব্যাক্তি আমার মুঠোফোনে ফোন করে জানান যে আমাদের গ্রামের ২ জন ছেলেকে তাদের গ্রামে আটকে রাখা হয়েছে। খবর পেয়ে তখনই আমি সেখানে ছুটে যাই এবং ঘটনাস্থল হতে তাদেরকে এ বলে নিয়ে আসি যে, তাদের উচিৎ বিচার আমি করে দিব। আমি সেখানে কারও সাথে খারাপ আচরণ করিনি এবং ছেলে দু'টিকে তারা মেরে বিভিন্ন যায়গায় ফুলা জখম করেছে, তাই তাদেরকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। আর সন্ধ্যার ঘটনা সম্পর্কে আমি কিছুই জানিনা।