নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ৯ নভেম্বর, মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সম্মিলিত এনটিআরসিএ নিবন্ধিত নিয়োগ বঞ্চিত শিক্ষক ফেডারেশন এর আয়োজনে ১–১২তম থেকে ২১–২২তম নিবন্ধিত সনদধারী প্রার্থীদের নিয়োগ সহ নির্বাহী আদেশের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি ও লংমার্চ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের নির্বাহী গণ—আমির হোসেন, নীলিমা চক্রবর্তী, জিএম ইয়াসিন, নাসরীন সুলতানা, রুহুল আমিন পাখি, শাহ আলম, জান্নাতুন ফেরদৌস, রুহুল আমীন হাতেমীসহ বিভিন্ন বিভাগের পরিচালক, জেলা কমিটি ও সাধারণ সদস্যরা।
বক্তারা বলেন—২০২২ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত নিয়োগের দাবিতে আমরা ধারাবাহিকভাবে আন্দোলন করে আসছি। ২০০ দিনের অনশন ও কঠোর আন্দোলনের পর তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি আশ্বাস দিলেও পরে তা বাস্তবায়িত হয়নি।
পরবর্তীতে ১১ আগস্ট ২০২৪ এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান নিয়োগের সুপারিশ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠালেও আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় প্রক্রিয়া থেমে যায়। এরপর আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয় মতামত নিতে, যা সময়ক্ষেপণের কৌশল বলে দাবি করেন বঞ্চিত শিক্ষকরা।
বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, কিছু ৩৫+ প্রার্থীদের নিয়োগ এবং কিছু ৩৫+ প্রার্থীদের সনদের মেয়াদ বাতিলের ষড়যন্ত্র চলছে—যা সম্পূর্ণ অমানবিক।
দীর্ঘ আন্দোলনের পরও সমাধান না আসায় ২৮ অক্টোবর ২০২৫ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব তাদের জানান—
“নিয়োগ এখন রিভিউ রায়ের ওপর নির্ভরশীল; মানবিক বিবেচনায় প্রধান উপদেষ্টার নির্বাহী আদেশ ছাড়া নিয়োগ সম্ভব নয়।”
প্রার্থীরা বলেন—
অসহায় অবস্থা, দীর্ঘ বেকারত্ব, মানসিক সংকট ও মানবেতর জীবনযাত্রা থেকে বাঁচতে তারা প্রধান উপদেষ্টার প্রতি নির্বাহী আদেশ প্রদানের আবেদন জানাচ্ছেন।
১–১২তম নিবন্ধিত নিয়োগ বঞ্চিত সনদধারী প্রার্থীরা তাদের ন্যায্য নিয়োগ নিশ্চিত করতে ধারাবাহিকভাবে অবস্থান কর্মসূচি ও লংমার্চ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।